প্রতি বছর কোরবানির ঈদের পর চামড়ার দাম নিয়ে যে নৈরাজ্য তৈরি হয়, তা যেন এখন একটি নিয়তিতে পরিণত হয়েছে। রাজশাহীর মতো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চামড়ার ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার আক্ষেপ দীর্ঘদিনের। অথচ সরকার চামড়া শিল্পকে বাঁচাতে প্রতি বছর লবণ সরবরাহ ও মনিটরিংয়ের মতো নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে। কিন্তু মাঠপর্যায়ে সরকারি নির্ধারিত দামের প্রতিফলন খুব কমই দেখা যায়।
বাংলাদেশে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ কাঁচা চামড়া উৎপন্ন হয়, যার বড় একটি অংশ কোরবানির সময় পাওয়া যায়। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদার সুযোগ থাকলেও অব্যবস্থাপনা এবং ট্যানারি মালিক ও আড়তদারদের সিন্ডিকেটের কারণে এই শিল্পের সম্ভাবনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে মাদ্রাসা ও এতিমখানার আয়ের বড় উৎস হিসেবে পরিচিত চামড়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অসহায় মানুষ। কার্যকর বাজার ব্যবস্থাপনা ও কঠোর তদারকি ছাড়া এই সংকট নিরসন প্রায় অসম্ভব।
রিপোর্টারের নাম 
























