ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

ঈদের ছুটিতে মুখর চট্টগ্রামের পর্যটন কেন্দ্র, নিরাপত্তায় তিন স্তরের ব্যবস্থা

ঈদুল আজহার ছুটিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত পতেঙ্গাসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবমুখর পরিবেশ ছুটির শেষ দিন পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। বিশেষ করে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে দিনভর হাজার হাজার পর্যটকের সমাগম ঘটে, যা ঈদের তৃতীয় দিনেও চোখে পড়ার মতো ছিল।

দর্শনার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য থানা পুলিশের পাশাপাশি ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পতেঙ্গা সি-বিচ এলাকায় তথ্য কেন্দ্র ও মাতৃদুগ্ধ কেন্দ্রও খোলা হয়েছে। এছাড়া, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, আনোয়ারা পারকি সৈকত, কনকর্ড ফয়’স লেক অ্যামিউজমেন্ট পার্ক, সি ওয়ার্ল্ড, ডিসি পার্ক, কর্ণফুলী টানেল, আগ্রাবাদ কর্ণফুলী শিশু পার্ক, পতেঙ্গা বাটারফ্লাই পার্ক, সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক, গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত, মহামায়া লেক, খৈয়াছড়া ঝর্ণা এবং নাপিত্তাছড়া ঝর্ণার মতো স্থানগুলোতেও পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত পতেঙ্গার পাশাপাশি কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের একমাত্র টানেলটিও দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকরা এই টানেল দেখতে ভিড় করছেন। ট্যুরিস্ট পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ঈদের ছুটিতে বিপুল সংখ্যক পর্যটকের সমাগম ঘটেছে এবং তাদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ঈদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভিড় দেখা গেছে চিড়িয়াখানায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালাহর নেতৃত্বে বিশ্বকাপ খেলবে মিশর: ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা

ঈদের ছুটিতে মুখর চট্টগ্রামের পর্যটন কেন্দ্র, নিরাপত্তায় তিন স্তরের ব্যবস্থা

আপডেট সময় : ০৬:২২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

ঈদুল আজহার ছুটিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত পতেঙ্গাসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবমুখর পরিবেশ ছুটির শেষ দিন পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। বিশেষ করে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে দিনভর হাজার হাজার পর্যটকের সমাগম ঘটে, যা ঈদের তৃতীয় দিনেও চোখে পড়ার মতো ছিল।

দর্শনার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য থানা পুলিশের পাশাপাশি ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পতেঙ্গা সি-বিচ এলাকায় তথ্য কেন্দ্র ও মাতৃদুগ্ধ কেন্দ্রও খোলা হয়েছে। এছাড়া, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, আনোয়ারা পারকি সৈকত, কনকর্ড ফয়’স লেক অ্যামিউজমেন্ট পার্ক, সি ওয়ার্ল্ড, ডিসি পার্ক, কর্ণফুলী টানেল, আগ্রাবাদ কর্ণফুলী শিশু পার্ক, পতেঙ্গা বাটারফ্লাই পার্ক, সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক, গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত, মহামায়া লেক, খৈয়াছড়া ঝর্ণা এবং নাপিত্তাছড়া ঝর্ণার মতো স্থানগুলোতেও পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত পতেঙ্গার পাশাপাশি কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের একমাত্র টানেলটিও দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকরা এই টানেল দেখতে ভিড় করছেন। ট্যুরিস্ট পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ঈদের ছুটিতে বিপুল সংখ্যক পর্যটকের সমাগম ঘটেছে এবং তাদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ঈদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভিড় দেখা গেছে চিড়িয়াখানায়।