রাজধানীর কাঁচাবাজারে ঈদের ছুটির পর সবজির দামে বড় কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। চাহিদা ও ক্রেতা কম থাকলেও অধিকাংশ সবজির দাম আগের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে ভালো মানের পটলের দাম কমেছে। প্রতি কেজি পটল এখন ১২০ টাকা থেকে কমে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
শনিবার (৩০ মে) দুপুরে রাজধানীর নবোদয় কাঁচাবাজার ও এর আশেপাশের বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ঈদের পর ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের উপস্থিতিই তুলনামূলকভাবে কম। ফলে বেচাকেনাও কমে গেছে। তবে শাক ও সবজির দাম ঈদের আগের দুই দিনের মতোই অপরিবর্তিত রয়েছে।
নবোদয় বাজারে দেখা গেছে, প্রায় ৫০টি সবজির দোকানের মধ্যে মাত্র ১০টি খোলা ছিল। বাজারের রাস্তা ছিল প্রায় ফাঁকা, হাতে গোনা দু-একজন ক্রেতা দেখা গেছে। দোকানিরা শাক-সবজি তাজা রাখতে পানি ছিটাচ্ছেন। কাঁচাবাজারের পাশাপাশি কিছু বিক্রেতাকে ভ্যানে সবজি বিক্রি করতেও দেখা গেছে, তবে তাদের সংখ্যাও ছিল খুবই কম।
শাক বিক্রেতা মো. জাহাঙ্গীর জানান, তিনি পাট শাক আটি ২০ টাকা, দুই আটি ৩০ টাকা; লাউ শাক আটি ৩০ টাকা; লাল শাক দুই আটি ৩০ টাকা এবং পুঁইশাক আটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, ঈদের পরদিন দাম কমার কথা থাকলেও এখনো দাম ঈদের আগের মতোই রয়েছে।
সবজি বিক্রেতা কিশোর মোবারক হোসেন জানায়, ঈদের আগে ভালো জাতের পটল ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও, এখন তা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্য পটল ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঢেঁড়স ৫০ টাকা, ধুন্দল ৬০ টাকা, কাকরোল ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্য এক সবজি বিক্রেতা জানান, আমদানি বেশি হলে দাম কমতে পারে, তবে বর্তমানে দাম বাড়েনি। ভ্যানে সবজি বিক্রি করা মো. শফিক ক্রেতা না থাকায় অলস সময় পার করছিলেন। তিনি লাউ ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা কেজি, ধুন্দল ৪০ টাকা কেজি, দেশি শসা ৪০ টাকা কেজি এবং লেবু ১০ টাকা হালি দরে বিক্রি করছেন।
রিপোর্টারের নাম 























