ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

কোরবানির মাংস কাটতে গিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শতাধিক আহত, হাসপাতালে ভিড়

পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে কোরবানির পশু জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অসাবধানতাবশত আহত হয়েছেন অন্তত শতাধিক মানুষ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আহত অবস্থায় তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

আহতদের বেশিরভাগই ধারালো ছুরির আঘাতে হাত-পায়ের আঙুলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ক্ষত নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের কারো অবস্থাই গুরুতর নয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈদের দিন শহরে অসংখ্য পশু কোরবানি দেওয়া হয়। এসব পশু কাটাকাটি করতে গিয়ে মৌসুমী কসাই এবং কোরবানিদাতাদের পরিবারের সদস্যরা অনভিজ্ঞতার কারণে অসাবধানতাবশত নিজেদের আহত করেন। মাংস কাটতে গিয়ে ছুরির আঘাতে অনেকের হাতে ও পায়ে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে, যা সেলাই করে সারানো হয়েছে। অনেকে আবার পশু জবাইয়ের সময় পশুর বাঁধ ছিঁড়ে আহত হয়েছেন।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শুভ্র রায় নিশ্চিত করেছেন যে, সকাল থেকে জরুরি বিভাগে প্রায় শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এছাড়াও শহরের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকেও এ ধরনের অনেক রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

কোরবানির মাংস কাটতে গিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শতাধিক আহত, হাসপাতালে ভিড়

আপডেট সময় : ০৫:৪২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে কোরবানির পশু জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অসাবধানতাবশত আহত হয়েছেন অন্তত শতাধিক মানুষ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আহত অবস্থায় তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

আহতদের বেশিরভাগই ধারালো ছুরির আঘাতে হাত-পায়ের আঙুলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ক্ষত নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের কারো অবস্থাই গুরুতর নয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈদের দিন শহরে অসংখ্য পশু কোরবানি দেওয়া হয়। এসব পশু কাটাকাটি করতে গিয়ে মৌসুমী কসাই এবং কোরবানিদাতাদের পরিবারের সদস্যরা অনভিজ্ঞতার কারণে অসাবধানতাবশত নিজেদের আহত করেন। মাংস কাটতে গিয়ে ছুরির আঘাতে অনেকের হাতে ও পায়ে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে, যা সেলাই করে সারানো হয়েছে। অনেকে আবার পশু জবাইয়ের সময় পশুর বাঁধ ছিঁড়ে আহত হয়েছেন।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শুভ্র রায় নিশ্চিত করেছেন যে, সকাল থেকে জরুরি বিভাগে প্রায় শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এছাড়াও শহরের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকেও এ ধরনের অনেক রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।