ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

পশুহাটে নির্ধারিত হারের চেয়ে দ্বিগুণ হাসিল আদায়, রশিদে নেই টাকার অঙ্ক

রাজশাহীর বিভিন্ন পশুহাটে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নির্ধারিত হারের চেয়ে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতাদের দেওয়া রশিদে আদায় করা টাকার পরিমাণ উল্লেখ করা হচ্ছে না, যা সাধারণ মানুষকে আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলছে।

রাজশাহীর সিটি হাট থেকে সোমবার (২৫ মে) ৯০ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু কেনা গোলাম মোর্তজা অভিযোগ করেছেন যে, তাকে হাসিল বাবদ এক হাজার টাকা দিতে হয়েছে, অথচ রশিদ দিলেও সেখানে টাকার অঙ্ক লেখা ছিল না। একইভাবে, পবা উপজেলার নওহাটা পশুহাটেও রশিদে টাকার অঙ্ক উল্লেখ না করে অতিরিক্ত হাসিল আদায় করা হচ্ছে। সেখানে গরুর জন্য এক হাজার টাকা এবং ছাগল-ভেড়ার জন্য ৬০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে, যেখানে পৌর কর্তৃপক্ষ গরুর জন্য ৫০০ টাকা এবং ছাগল-ভেড়ার জন্য ৩০০ টাকা হাসিল নির্ধারণ করেছে।

অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সোমবার (২৫ মে) নওহাটা পশুহাটের ইজারাদারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইবনুল আবেদীন। রাজশাহী সিটি করপোরেশন পরিচালিত সিটি হাটে গরু ও মহিষের জন্য ৭০০ টাকা এবং ছাগলের জন্য ৫০০ টাকা হাসিল নির্ধারণ করা হলেও, বাস্তবে গরুর ক্ষেত্রে এক হাজার টাকা এবং ছাগলের ক্ষেত্রে ৬০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়টি আড়াল করতেই অনেক রশিদে টাকার পরিমাণ লেখা হচ্ছে না। সিটি হাটের একজন ইজারাদার শওকত আলী অবশ্য দাবি করেছেন যে, তারা নির্ধারিত হারের চেয়ে মাত্র ১০০ টাকা বেশি নিচ্ছেন এবং হাটে নিজেদের করা খরচের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও জানান, কিছু মহুরি (আদায়কারী) লেখার ভুলে টাকার পরিমাণ উল্লেখ করছে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেহেরপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা নসাৎ করল বিজিবি ও স্থানীয়রা

পশুহাটে নির্ধারিত হারের চেয়ে দ্বিগুণ হাসিল আদায়, রশিদে নেই টাকার অঙ্ক

আপডেট সময় : ০৩:২২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

রাজশাহীর বিভিন্ন পশুহাটে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নির্ধারিত হারের চেয়ে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতাদের দেওয়া রশিদে আদায় করা টাকার পরিমাণ উল্লেখ করা হচ্ছে না, যা সাধারণ মানুষকে আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলছে।

রাজশাহীর সিটি হাট থেকে সোমবার (২৫ মে) ৯০ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু কেনা গোলাম মোর্তজা অভিযোগ করেছেন যে, তাকে হাসিল বাবদ এক হাজার টাকা দিতে হয়েছে, অথচ রশিদ দিলেও সেখানে টাকার অঙ্ক লেখা ছিল না। একইভাবে, পবা উপজেলার নওহাটা পশুহাটেও রশিদে টাকার অঙ্ক উল্লেখ না করে অতিরিক্ত হাসিল আদায় করা হচ্ছে। সেখানে গরুর জন্য এক হাজার টাকা এবং ছাগল-ভেড়ার জন্য ৬০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে, যেখানে পৌর কর্তৃপক্ষ গরুর জন্য ৫০০ টাকা এবং ছাগল-ভেড়ার জন্য ৩০০ টাকা হাসিল নির্ধারণ করেছে।

অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সোমবার (২৫ মে) নওহাটা পশুহাটের ইজারাদারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইবনুল আবেদীন। রাজশাহী সিটি করপোরেশন পরিচালিত সিটি হাটে গরু ও মহিষের জন্য ৭০০ টাকা এবং ছাগলের জন্য ৫০০ টাকা হাসিল নির্ধারণ করা হলেও, বাস্তবে গরুর ক্ষেত্রে এক হাজার টাকা এবং ছাগলের ক্ষেত্রে ৬০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়টি আড়াল করতেই অনেক রশিদে টাকার পরিমাণ লেখা হচ্ছে না। সিটি হাটের একজন ইজারাদার শওকত আলী অবশ্য দাবি করেছেন যে, তারা নির্ধারিত হারের চেয়ে মাত্র ১০০ টাকা বেশি নিচ্ছেন এবং হাটে নিজেদের করা খরচের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও জানান, কিছু মহুরি (আদায়কারী) লেখার ভুলে টাকার পরিমাণ উল্লেখ করছে না।