ঢাকা ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

ঈদের ছুটিতে গ্রামে থাকা শিশুদের নিরাপত্তায় করণীয়

ঈদের আনন্দ শহর ছাড়িয়ে গ্রামের বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। কদমফুলের গন্ধ, বৃষ্টির শব্দ আর আত্মীয়স্বজনের ভিড় সব মিলিয়ে এক ভিন্ন আমেজ তৈরি হয়। তবে এই উৎসবের মাঝে শিশুদের জন্য কিছু নীরব ঝুঁকিও লুকিয়ে থাকতে পারে, বিশেষ করে বর্ষাকালে গ্রামের পরিবেশ, অনিয়মিত জীবনযাপন আর ভিড়ভাট্টার মধ্যে অসাবধানতা বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই ঈদের আনন্দের পাশাপাশি সন্তানের নিরাপত্তার দিকেও বাড়তি নজর দেওয়া জরুরি।

বর্ষাকালে গ্রামের চারপাশের পুকুর, ডোবা বা নালা শিশুদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। খেলার ছলে তারা কখন পানির ধারে চলে যায়, তা অনেক সময় খেয়াল করা যায় না। তাই শিশুকে একা উঠোনে বা বাড়ির বাইরে খেলতে না দেওয়াই শ্রেয়। বিশেষ করে ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে ‘দেখছি তো’ ভেবে নিশ্চিন্ত হওয়ার সুযোগ নেই, কারণ দুর্ঘটনা ঘটতে সময় লাগে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। ঈদের আড্ডা, রান্না বা অতিথি আপ্যায়নের ব্যস্ততার মধ্যেও পরিবারের একজন সদস্যকে শিশুদের দিকে নজর রাখার দায়িত্বে রাখা যেতে পারে। এই ছোট সতর্কতা বড় দুর্ঘটনা ঠেকাতে পারে।

ঈদে এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়ি যাওয়া উৎসবেরই অংশ। কিন্তু এই অনিয়মিত যাতায়াত অনেক সময় শিশুদের ক্লান্ত করে ফেলে। দূরের আত্মীয়দের কাছে দীর্ঘ সময় শিশুকে রেখে দিলে তার খাবার, ঘুম বা ওষুধের নিয়ম ভেঙে যেতে পারে। কেউ হয়তো আদর করে এমন খাবার দিচ্ছেন যা শিশুর জন্য উপযোগী নয়। অতিরিক্ত ভিড় বা শব্দে ছোট শিশুরা বিরক্ত বা অস্থিরও হয়ে উঠতে পারে। তাই উৎসবের আনন্দের মধ্যেও শিশুর দৈনন্দিন অভ্যাসের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। সময়মতো খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান ও বিশ্রাম নিশ্চিত করলে ঈদের ক্লান্তিও কম হবে।

ঈদের সময় স্বাভাবিকভাবেই অনেক মানুষের সঙ্গে মেলামেশা হয়। তবে বর্তমানে কিছু এলাকায় হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের খবর থাকায় শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে বাড়তি সতর্ক থাকা দরকার। শিশুর টিকা সম্পূর্ণ হয়েছে কি না, তা আগে থেকেই নিশ্চিত করুন। কারও জ্বর, কাশি বা ফুসকুড়ির মতো উপসর্গ থাকলে শিশু

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদ উদযাপনের মধ্যে মর্মান্তিক ঘটনা: গলায় মাংস আটকে কিশোরের মৃত্যু

ঈদের ছুটিতে গ্রামে থাকা শিশুদের নিরাপত্তায় করণীয়

আপডেট সময় : ১১:০৯:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

ঈদের আনন্দ শহর ছাড়িয়ে গ্রামের বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। কদমফুলের গন্ধ, বৃষ্টির শব্দ আর আত্মীয়স্বজনের ভিড় সব মিলিয়ে এক ভিন্ন আমেজ তৈরি হয়। তবে এই উৎসবের মাঝে শিশুদের জন্য কিছু নীরব ঝুঁকিও লুকিয়ে থাকতে পারে, বিশেষ করে বর্ষাকালে গ্রামের পরিবেশ, অনিয়মিত জীবনযাপন আর ভিড়ভাট্টার মধ্যে অসাবধানতা বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই ঈদের আনন্দের পাশাপাশি সন্তানের নিরাপত্তার দিকেও বাড়তি নজর দেওয়া জরুরি।

বর্ষাকালে গ্রামের চারপাশের পুকুর, ডোবা বা নালা শিশুদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। খেলার ছলে তারা কখন পানির ধারে চলে যায়, তা অনেক সময় খেয়াল করা যায় না। তাই শিশুকে একা উঠোনে বা বাড়ির বাইরে খেলতে না দেওয়াই শ্রেয়। বিশেষ করে ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে ‘দেখছি তো’ ভেবে নিশ্চিন্ত হওয়ার সুযোগ নেই, কারণ দুর্ঘটনা ঘটতে সময় লাগে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। ঈদের আড্ডা, রান্না বা অতিথি আপ্যায়নের ব্যস্ততার মধ্যেও পরিবারের একজন সদস্যকে শিশুদের দিকে নজর রাখার দায়িত্বে রাখা যেতে পারে। এই ছোট সতর্কতা বড় দুর্ঘটনা ঠেকাতে পারে।

ঈদে এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়ি যাওয়া উৎসবেরই অংশ। কিন্তু এই অনিয়মিত যাতায়াত অনেক সময় শিশুদের ক্লান্ত করে ফেলে। দূরের আত্মীয়দের কাছে দীর্ঘ সময় শিশুকে রেখে দিলে তার খাবার, ঘুম বা ওষুধের নিয়ম ভেঙে যেতে পারে। কেউ হয়তো আদর করে এমন খাবার দিচ্ছেন যা শিশুর জন্য উপযোগী নয়। অতিরিক্ত ভিড় বা শব্দে ছোট শিশুরা বিরক্ত বা অস্থিরও হয়ে উঠতে পারে। তাই উৎসবের আনন্দের মধ্যেও শিশুর দৈনন্দিন অভ্যাসের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। সময়মতো খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান ও বিশ্রাম নিশ্চিত করলে ঈদের ক্লান্তিও কম হবে।

ঈদের সময় স্বাভাবিকভাবেই অনেক মানুষের সঙ্গে মেলামেশা হয়। তবে বর্তমানে কিছু এলাকায় হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের খবর থাকায় শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে বাড়তি সতর্ক থাকা দরকার। শিশুর টিকা সম্পূর্ণ হয়েছে কি না, তা আগে থেকেই নিশ্চিত করুন। কারও জ্বর, কাশি বা ফুসকুড়ির মতো উপসর্গ থাকলে শিশু