সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে স্বল্প-পাল্লার এবং ড্রোন-প্রতিরোধী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চাহিদা ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। এই প্রবণতা আঞ্চলিক বাজারে তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। তুরস্কের লক্ষ্য আমেরিকার তৈরি ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিকল্প সরবরাহ করা নয়, বরং আরব দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার তুলনামূলক কম খরচের স্তরগুলোতে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা।
চলতি মাসের শুরুর দিকে উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তুরস্ক সফর করেন এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট আঙ্কারায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। এই সফরগুলো ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত একটি বড় প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ প্রদর্শনীতে ১২০টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণের পর অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।
উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা তাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাগুলো স্পষ্ট করেছে। এটি দেখা গেছে যে, আমেরিকার তৈরি অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলোও সস্তা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বড় আকারের আক্রমণ মোকাবেলায় কার্যকর নয়।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো এখন আর কেবল যুক্তরাষ্ট্রের মতো কোনো একক নিরাপত্তা প্রদানকারীর ওপর নির্ভরশীল থাকতে চাইছে না। তারা তাদের অর্থনৈতিক পোর্টফোলিওর মতো প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব এবং সংগ্রহের কৌশলগুলোতেও বৈচিত্র্য আনছে। ইরাক ইতোমধ্যে এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে, যেখানে দেশটি তুরস্ক থেকে ২০টি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার বিষয়টি বিবেচনা করছে।
রিপোর্টারের নাম 





















