কথাকলি মার্কেটের এক কোণে ছোট্ট একটি টংঘর। সেখানেই গত তিন দশক ধরে প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যস্ত থাকেন সুলতান মিয়া। চা বিক্রিই তার জীবিকার প্রধান উৎস। তার হাতের বিশেষ স্বাদের তেঁতুল চা স্থানীয়দের কাছে বেশ জনপ্রিয়। তবে সুলতানের কাছে এই চায়ের দোকান কেবল ব্যবসার জায়গা নয়, বরং মানুষের সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরির মাধ্যম।
অতীতের স্মৃতিচারণ করে সুলতান মিয়া জানান, এক সময় সিনেমা হলকে কেন্দ্র করে এই এলাকাটি ছিল অত্যন্ত জমজমাট। সময়ের স্রোতে সেই কোলাহল কমে গেলেও সুলতানের চায়ের আড্ডা এখনো অটুট। বয়সের ভারে শরীর কিছুটা নুয়ে পড়লেও জীবনযুদ্ধে হার মানেননি তিনি। বর্তমানে তার ছেলে তাকে কাজে সহযোগিতা করেন। সুলতানের এখন একটাই স্বপ্ন—সামর্থ্য হলে একটি স্থায়ী ও সুন্দর পরিবেশে চায়ের দোকান দেওয়ার। সেই অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর পরিবারের মায়া নিয়েই প্রতিদিন নতুন দিনের আশায় পথ চলেন এই চা বিক্রেতা।
রিপোর্টারের নাম 
























