ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

সুপারকন্ডাক্টিভিটির রহস্য উন্মোচনে চীনা বিজ্ঞানীদের বড় সাফল্য

উচ্চ-তাপমাত্রার সুপারকন্ডাক্টিভিটি বা অতিপরিবাহিতা নিয়ে গবেষণায় যুগান্তকারী সাফল্য পেয়েছেন চীনের একদল বিজ্ঞানী। ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অব চায়না (ইউএসটিসি) এবং সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (সাসটেক) গবেষকরা যৌথভাবে নিকেল অক্সাইডের পাতলা ফিল্মে ‘নোডলেস সুপারকন্ডাক্টিং গ্যাপ’ এবং ‘ইলেকট্রন-বোসন কাপলিং’ পর্যবেক্ষণ করেছেন। এই গবেষণার ফলাফল বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স-এ প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকদের মতে, সুপারকন্ডাক্টিং গ্যাপের প্রতিসাম্য এবং ইলেকট্রনগুলো কীভাবে জোড়া বাঁধে, তা বুঝতে এই আবিষ্কার সহায়ক হবে। তারা দেখেছেন, নিকেলভিত্তিক সুপারকন্ডাক্টরগুলোর গ্যাপ নোডবিহীন, যা ইঙ্গিত দেয় যে এগুলো কপারভিত্তিক সুপারকন্ডাক্টরের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মে কাজ করে। ইলেকট্রন জোড়া বাঁধার পেছনে থাকা অনন্য সংকেত খুঁজে পাওয়ার মাধ্যমে এই আধুনিক গবেষণায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে, যা ভবিষ্যতে উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গোয়াইনঘাটে গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, প্রাণ হারালো ৩ স্কুলছাত্র

সুপারকন্ডাক্টিভিটির রহস্য উন্মোচনে চীনা বিজ্ঞানীদের বড় সাফল্য

আপডেট সময় : ০৮:৪০:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

উচ্চ-তাপমাত্রার সুপারকন্ডাক্টিভিটি বা অতিপরিবাহিতা নিয়ে গবেষণায় যুগান্তকারী সাফল্য পেয়েছেন চীনের একদল বিজ্ঞানী। ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অব চায়না (ইউএসটিসি) এবং সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (সাসটেক) গবেষকরা যৌথভাবে নিকেল অক্সাইডের পাতলা ফিল্মে ‘নোডলেস সুপারকন্ডাক্টিং গ্যাপ’ এবং ‘ইলেকট্রন-বোসন কাপলিং’ পর্যবেক্ষণ করেছেন। এই গবেষণার ফলাফল বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স-এ প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকদের মতে, সুপারকন্ডাক্টিং গ্যাপের প্রতিসাম্য এবং ইলেকট্রনগুলো কীভাবে জোড়া বাঁধে, তা বুঝতে এই আবিষ্কার সহায়ক হবে। তারা দেখেছেন, নিকেলভিত্তিক সুপারকন্ডাক্টরগুলোর গ্যাপ নোডবিহীন, যা ইঙ্গিত দেয় যে এগুলো কপারভিত্তিক সুপারকন্ডাক্টরের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মে কাজ করে। ইলেকট্রন জোড়া বাঁধার পেছনে থাকা অনন্য সংকেত খুঁজে পাওয়ার মাধ্যমে এই আধুনিক গবেষণায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে, যা ভবিষ্যতে উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।