ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

খাগড়াছড়িতে সশস্ত্র দুই গ্রুপের গোলাগুলি, অভিযানে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার লোগাং ইউনিয়নে সশস্ত্র দুটি আঞ্চলিক দলের মধ্যে ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল দ্রুত ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সেনাসদস্যদের লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি ছুড়লে আত্মরক্ষার্থে সেনাবাহিনীও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের মুখে সন্ত্রাসীরা গহীন অরণ্যে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি অত্যাধুনিক রাইফেল, ২৭৪ রাউন্ড তাজা গুলি ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় কোনো সেনাসদস্য হতাহত হননি এবং বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয় জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এলাকাকে সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গোল্ডেন বুট থেকে ছিটকে যাচ্ছেন মেসি?

খাগড়াছড়িতে সশস্ত্র দুই গ্রুপের গোলাগুলি, অভিযানে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১০:৪৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার লোগাং ইউনিয়নে সশস্ত্র দুটি আঞ্চলিক দলের মধ্যে ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল দ্রুত ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সেনাসদস্যদের লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি ছুড়লে আত্মরক্ষার্থে সেনাবাহিনীও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের মুখে সন্ত্রাসীরা গহীন অরণ্যে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি অত্যাধুনিক রাইফেল, ২৭৪ রাউন্ড তাজা গুলি ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় কোনো সেনাসদস্য হতাহত হননি এবং বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয় জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এলাকাকে সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।