ঢাকা ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

ইরানি চিকিৎসা গবেষণা প্রতিষ্ঠানে হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করল তেহরান

ইরানের শতবর্ষী চিকিৎসা গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাস্তুর ইনস্টিটিউটে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই হামলাকে একটি ‘স্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করে এর পেছনে জড়িতদের কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই বৈজ্ঞানিক ও জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানোর মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকারের ওপর আঘাত হানা। এর ফলে ওই অঞ্চলের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও সংস্থার বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে, সাম্প্রতিক বোমা হামলার পর শতবর্ষী এই প্রতিষ্ঠানটি আর কার্যকর অবস্থায় নেই। দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা আগে থেকেই চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল, যা বর্তমান হামলার পর আরও সংকটজনক হয়ে পড়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাপন আমলের দুর্নীতির খোঁজে বিসিবিতে দুদকের অভিযান: তিন চিঠিতে নথিপত্র তলব

ইরানি চিকিৎসা গবেষণা প্রতিষ্ঠানে হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করল তেহরান

আপডেট সময় : ১০:৪৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

ইরানের শতবর্ষী চিকিৎসা গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাস্তুর ইনস্টিটিউটে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই হামলাকে একটি ‘স্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করে এর পেছনে জড়িতদের কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই বৈজ্ঞানিক ও জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানোর মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকারের ওপর আঘাত হানা। এর ফলে ওই অঞ্চলের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও সংস্থার বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে, সাম্প্রতিক বোমা হামলার পর শতবর্ষী এই প্রতিষ্ঠানটি আর কার্যকর অবস্থায় নেই। দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা আগে থেকেই চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল, যা বর্তমান হামলার পর আরও সংকটজনক হয়ে পড়েছে।