ঢাকা ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

ভারতে ভাঙা সেতু সচল করতে অভিনব উদ্যোগ, বসানো হচ্ছে তিনটি বেইলি ব্রিজ

ভারতের বিহার রাজ্যের ভাগলপুরে গঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত বিক্রমশিলা সেতুর একটি অংশ ধসে পড়ার পর যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনর্গঠনে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও)। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া অঞ্চলগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনে ভেঙে যাওয়া অংশের ওপর সাময়িকভাবে বেইলি ব্রিজ স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে একটি গার্ডার সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে এবং আরও দুটি ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতে সেতুর আরসিসি স্ল্যাব ধসে পড়ার পর থেকে উত্তর বিহারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামরিক প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞ দল যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করে। ভারী যন্ত্রপাতি ও ক্রেন ব্যবহার করে প্রায় ১০০ জন কর্মী দিনরাত পরিশ্রম করছেন। স্থানীয় প্রশাসন আশা করছে, আগামী মাসের শুরুর দিকেই সেতুটি ছোট যানবাহন ও পথচারী চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া সম্ভব হবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বেইলি ব্রিজগুলো সাময়িকভাবে ২০ থেকে ২৫ টন ওজনের যানবাহন বহনে সক্ষম হবে। চূড়ান্ত নিরাপত্তা পরীক্ষার পরেই কেবল যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। এই পদক্ষেপের ফলে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাপন আমলের দুর্নীতির খোঁজে বিসিবিতে দুদকের অভিযান: তিন চিঠিতে নথিপত্র তলব

ভারতে ভাঙা সেতু সচল করতে অভিনব উদ্যোগ, বসানো হচ্ছে তিনটি বেইলি ব্রিজ

আপডেট সময় : ০৯:৪০:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

ভারতের বিহার রাজ্যের ভাগলপুরে গঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত বিক্রমশিলা সেতুর একটি অংশ ধসে পড়ার পর যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনর্গঠনে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও)। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া অঞ্চলগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনে ভেঙে যাওয়া অংশের ওপর সাময়িকভাবে বেইলি ব্রিজ স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে একটি গার্ডার সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে এবং আরও দুটি ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতে সেতুর আরসিসি স্ল্যাব ধসে পড়ার পর থেকে উত্তর বিহারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামরিক প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞ দল যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করে। ভারী যন্ত্রপাতি ও ক্রেন ব্যবহার করে প্রায় ১০০ জন কর্মী দিনরাত পরিশ্রম করছেন। স্থানীয় প্রশাসন আশা করছে, আগামী মাসের শুরুর দিকেই সেতুটি ছোট যানবাহন ও পথচারী চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া সম্ভব হবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বেইলি ব্রিজগুলো সাময়িকভাবে ২০ থেকে ২৫ টন ওজনের যানবাহন বহনে সক্ষম হবে। চূড়ান্ত নিরাপত্তা পরীক্ষার পরেই কেবল যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। এই পদক্ষেপের ফলে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।