দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে এখন চলছে জনপ্রিয় ফল ডুরিয়ানের মৌসুম। আর এই ফলের সবচেয়ে বড় বাজার হয়ে উঠেছে চীন। আসিয়ানভুক্ত দেশগুলো থেকে ডুরিয়ানের চাহিদা মেটাতে চীন তাদের সীমান্ত বন্দর ও রেলপথে বিশেষ কাস্টমস ব্যবস্থা চালু করেছে। চায়না-লাওস রেলওয়ে এখন এই ফল আমদানির প্রধান মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে, যাকে ‘সোনালি করিডর’ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।
রেল কর্তৃপক্ষের বিশেষ ব্যবস্থার ফলে কাস্টমস ছাড়পত্রের সময় আগের চেয়ে অর্ধেক কমে এসেছে। বর্তমানে থাইল্যান্ড থেকে আসা ডুরিয়ান মাত্র ২৬ ঘণ্টার মধ্যে চীনের বিভিন্ন বাজারে পৌঁছে যাচ্ছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত বছরের তুলনায় এ বছর ডুরিয়ান আমদানির হার প্রায় ৪৪.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। চীনের আমদানিকৃত ডুরিয়ানের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই আসছে আসিয়ান দেশগুলো থেকে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ভালো মানের ডুরিয়ান চেনার জন্য এর আকার, রং, গন্ধ এবং খোসার শক্তভাব পরীক্ষা করতে হয়। খোসায় টোকা দিলে যদি ফাঁপা শব্দ হয় এবং সোনালি হলুদ রঙের সুগন্ধযুক্ত হয়, তবেই সেটি পাকা ও উন্নত মানের ফল হিসেবে গণ্য হয়। বর্তমানে চীনের বাজারে ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন জাতের ডুরিয়ান ব্যাপক চাহিদার শীর্ষে রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















