ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলায় বাংলাদেশ সীমান্তের একেবারে কোলঘেঁষে অবস্থিত একটি নিভৃত স্টেশন ‘সিঙ্গাবাদ’। ভারতের বিশাল ও বিস্তৃত রেল নেটওয়ার্কের শেষ সীমানা এটিই। পাহাড়-জঙ্গল আর লোকালয় পেরিয়ে আসা রেললাইনগুলো এই স্টেশনে এসেই স্থব্ধ হয়ে গেছে। কোনো জাঁকজমক বা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা না থাকলেও ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক কারণে স্টেশনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
দেশভাগের আগে অবিভক্ত বাংলায় যাতায়াতের অন্যতম প্রধান রুট ছিল এই সিঙ্গাবাদ-রোহনপুর পথ। ১৯৪৭ সালের পর এটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত ক্রসিংয়ে পরিণত হয়। বর্তমানে এখানে কোনো যাত্রীবাহী ট্রেনের কোলাহল নেই, নেই যাত্রীদের ভিড়। স্টেশনটি মূলত বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে পাথর ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী এই পথেই সীমান্ত পার হয়।
শান্ত ও নিরিবিলি এই স্টেশনটি এখন রেলপ্রেমী ও পর্যটকদের কাছে এক কৌতূহলের নাম। বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার শেষ প্রান্ত দেখার জন্য অনেকেই এখানে ভিড় করেন। ব্রিটিশ আমলের স্থাপত্য আর গ্রামীণ পরিবেশের মিশেলে সিঙ্গাবাদ স্টেশনটি যেন ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
রিপোর্টারের নাম 






















