দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে চীন ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্ণ করতে যাওয়া এই দুই দেশের বন্ধুত্বকে প্রায়ই ‘লৌহ ভ্রাতৃত্ব’ বা ‘পাহাড়ের চেয়ে উঁচু ও সাগরের চেয়ে গভীর’ বলে অভিহিত করা হয়। এই গভীর বিশ্বাসের মূলে রয়েছে ১৯৬৩ সালের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা, যখন পাকিস্তান হংকংয়ের চেয়ে পাঁচ গুণ বড় একটি ভূখণ্ড চীনের হাতে তুলে দিয়েছিল।
কট্টর সাম্যবাদী চীন এবং ধর্মের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তানের এই অসম অংশীদারিত্ব মূলত ভারতের সঙ্গে উভয়ের অভিন্ন বৈরিতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। আগামী ২৩ মে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বেইজিং সফরের মধ্য দিয়ে এই সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সফরে দুই দেশের শীর্ষ নেতারা দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন।
ঐতিহাসিকদের মতে, ১৯৪২ সালে জিন্নাহর সঙ্গে চীনা নেতাদের সাক্ষাতের সময় থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের কূটনৈতিক পথ উন্মুক্ত করতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা—সবই এই সম্পর্কের ভিত মজবুত করেছে। যদিও আনুষ্ঠানিক উদযাপনের আড়ালে পারমাণবিক চুক্তির মতো অনেক স্পর্শকাতর বিষয় গোপন রাখা হয়, তবুও বৈশ্বিক রাজনীতিতে এই দুই প্রতিবেশীর কৌশলগত মৈত্রী অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
রিপোর্টারের নাম 























