ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

সুন্দরবনে ‘সুমন বাহিনী’র প্রধানসহ ৭ দস্যুর আত্মসমর্পণ, বিপুল অস্ত্র উদ্ধার

সুন্দরবনের কুখ্যাত দস্যু ‘সুমন বাহিনী’র সাত সদস্য কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেছেন। মোংলার দিগরাজস্থ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা বাহিনীর জোনাল কমান্ডারের কাছে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেন। আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের মধ্যে রয়েছেন বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার এবং তার সহযোগী রবিউল মল্লিক, রফিক শেখ, সিদ্দিক হাওলাদার, গোলাম মল্লিক, ইসমাইল খান ও মাহফুজ মল্লিক।

অভিযান চলাকালে দস্যুরা তিনটি দেশি একনলা বন্দুক, দুটি পাইপগান এবং ২৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তর করে। এই বাহিনীটি দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের গহিন অরণ্যে জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল। বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার এর আগেও ২০১৮ সালে আত্মসমর্পণ করেছিলেন, তবে আইনি জটিলতার অজুহাতে ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে তিনি আবারও দস্যু দল গঠন করেন।

কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুন্দরবনকে জলদস্যুমুক্ত রাখতে তাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আত্মসমর্পণকারীদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্টগার্ডের টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়েতে বিদ্যুৎ ও পানি শোধন কেন্দ্রে ফের হামলা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা

সুন্দরবনে ‘সুমন বাহিনী’র প্রধানসহ ৭ দস্যুর আত্মসমর্পণ, বিপুল অস্ত্র উদ্ধার

আপডেট সময় : ০১:৩৩:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

সুন্দরবনের কুখ্যাত দস্যু ‘সুমন বাহিনী’র সাত সদস্য কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেছেন। মোংলার দিগরাজস্থ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা বাহিনীর জোনাল কমান্ডারের কাছে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেন। আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের মধ্যে রয়েছেন বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার এবং তার সহযোগী রবিউল মল্লিক, রফিক শেখ, সিদ্দিক হাওলাদার, গোলাম মল্লিক, ইসমাইল খান ও মাহফুজ মল্লিক।

অভিযান চলাকালে দস্যুরা তিনটি দেশি একনলা বন্দুক, দুটি পাইপগান এবং ২৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তর করে। এই বাহিনীটি দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের গহিন অরণ্যে জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল। বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার এর আগেও ২০১৮ সালে আত্মসমর্পণ করেছিলেন, তবে আইনি জটিলতার অজুহাতে ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে তিনি আবারও দস্যু দল গঠন করেন।

কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুন্দরবনকে জলদস্যুমুক্ত রাখতে তাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আত্মসমর্পণকারীদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্টগার্ডের টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।