ঢাকা ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে গ্রাফিতি আঁকতে বাধা, শিক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যে ধস্তাধস্তি

চট্টগ্রামে জনসমাবেশ ও মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় গ্রাফিতি আঁকতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। নগরীর টাইগার পাস মোড়ে কিছু শিক্ষার্থী জুলাই অভ্যুত্থানের গ্রাফিতি আঁকতে জড়ো হলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।

এর আগে, জুলাই অভ্যুত্থানের গ্রাফিতি মোছা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ জনসমাবেশ ও মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

পুলিশ বাধা দিলে এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। পুলিশ তিনজনকে আটক করে ভ্যানে তুললেও শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। পরে শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের এক নেতা অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীরা গ্রাফিতি আঁকতে গিয়েছিল, মিছিল-সমাবেশ করতে নয়, তাই পুলিশের তাদের বাধা দেওয়া উচিত হয়নি।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) জানিয়েছেন, টাইগার পাস এলাকায় মেট্রোপলিটন অধ্যাদেশের ৩০ ধারা জারি আছে। তা অমান্য করে শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়েছিল এবং পুলিশকে বাধা দেওয়ার সময় তাদের গায়ে রঙ মেরেছিল। ঘটনার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে সাময়িকভাবে আটক করা হলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এর আগে, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার নগরীর জিইসি মোড় থেকে দেওয়ান হাট পর্যন্ত জনসমাবেশ ও মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। এছাড়াও, শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়ালসড়কের পিলারে আঁকা জুলাই গ্রাফিতি সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মুছে ফেলা হয়েছিল, যার প্রতিবাদে গ্রাফিতি আঁকার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণহত্যার বিচারে মন্থর গতি: বিচারপ্রার্থী ও শহীদ পরিবারে বাড়ছে উদ্বেগ

চট্টগ্রামে গ্রাফিতি আঁকতে বাধা, শিক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যে ধস্তাধস্তি

আপডেট সময় : ০৬:৪৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

চট্টগ্রামে জনসমাবেশ ও মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় গ্রাফিতি আঁকতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। নগরীর টাইগার পাস মোড়ে কিছু শিক্ষার্থী জুলাই অভ্যুত্থানের গ্রাফিতি আঁকতে জড়ো হলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।

এর আগে, জুলাই অভ্যুত্থানের গ্রাফিতি মোছা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ জনসমাবেশ ও মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

পুলিশ বাধা দিলে এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। পুলিশ তিনজনকে আটক করে ভ্যানে তুললেও শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। পরে শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের এক নেতা অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীরা গ্রাফিতি আঁকতে গিয়েছিল, মিছিল-সমাবেশ করতে নয়, তাই পুলিশের তাদের বাধা দেওয়া উচিত হয়নি।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) জানিয়েছেন, টাইগার পাস এলাকায় মেট্রোপলিটন অধ্যাদেশের ৩০ ধারা জারি আছে। তা অমান্য করে শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়েছিল এবং পুলিশকে বাধা দেওয়ার সময় তাদের গায়ে রঙ মেরেছিল। ঘটনার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে সাময়িকভাবে আটক করা হলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এর আগে, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার নগরীর জিইসি মোড় থেকে দেওয়ান হাট পর্যন্ত জনসমাবেশ ও মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। এছাড়াও, শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়ালসড়কের পিলারে আঁকা জুলাই গ্রাফিতি সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মুছে ফেলা হয়েছিল, যার প্রতিবাদে গ্রাফিতি আঁকার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল।