মিসরের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে মাঠ ছাড়লেও ইরানের ফুটবলারদের চোখে-মুখে ছিল একরাশ হতাশা। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে শোজা খলিলজাদেহর গোলটি অফসাইডের কারণে বাতিল না হলে এবং সাইদ এজাতোল্লাহর হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে না আসলে ইতিহাস গড়তে পারত পারসিয়ানরা। এই ড্রয়ের ফলে সরাসরি নকআউট পর্বে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় এখন ইরানকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে অন্য দলগুলোর ফলাফলের ওপর।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ইরানের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোয়েই। সরাসরি ফিফা সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, কোনো আয়োজক দেশ যেন ভবিষ্যতে কোনো দলের সঙ্গে এমন অসহযোগিতামূলক আচরণ করতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি। দলের ১১ জন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা মার্কিন ভিসা না পাওয়ায় লজিস্টিক সহায়তা ছাড়াই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে হচ্ছে তাদের। অধিনায়ক মেহদি তারেমিও প্রশ্ন তুলেছেন, ভিসা জটিলতার কারণে স্টাফদের ছাড়াই একটি জাতীয় দল কীভাবে স্বাভাবিক প্রস্তুতি নেবে?
ভ্রমণ ও আবাসন নিয়েও চরম ভোগান্তির অভিযোগ করেছে ইরান। ম্যাচ শুরুর মাত্র দুই দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি এবং ম্যাচ শেষেই মেক্সিকোর তিহুয়ানায় ফেরত পাঠানোর মতো কঠোর নিয়মের কারণে খেলোয়াড়দের বিশ্রাম ও শারীরিক পুনরুদ্ধার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তবে এতসব বাধার মুখেও দলের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করেছেন কোচ। তার মতে, প্রতিকূল পরিস্থিতির মাঝেও তরুণেরা যেভাবে মাঠের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, তা ফুটবলের ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
রিপোর্টারের নাম 




















