আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত না হলে রাজপথ ভয়াবহভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মূখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি অভিযোগ করেছেন, বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চরম কারচুপি বা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়েছে।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন কমিশনের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, গত সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে কক্সবাজারের হামিদুর রহমান আজাদকে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের’ মাধ্যমে পরাজিত করার এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনেও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ করেন। তার মতে, অনেকেই নির্বাচন নিয়ে ইতিবাচক কথা বললেও বাস্তবে এটি ছিল পুরোপুরি একটি ‘ইঞ্জিনিয়ারড নির্বাচন’ বা সাজানো নির্বাচন।
তিনি আরও বলেন, তার এই বক্তব্যে অনেকেই অসন্তুষ্ট হতে পারেন, কারণ অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনারও উপস্থিত রয়েছেন। তবে ভবিষ্যতে আরেকটি গণ-অভ্যুত্থান হলে নির্বাচন কমিশনকে গোড়া থেকে পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচনে দ্বিমুখী নীতির অভিযোগ তুলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, একজন প্রার্থী হিসেবে তিনি নির্বাচন কমিশনের আচরণে অসঙ্গতি দেখেছেন। তার দাবি, এক আসনে ব্যালটের নির্ধারিত বক্সের বাইরে সিল পড়লে তা গণনা না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, অথচ অন্য আসনে একই ধরনের ভোট গণনার নির্দেশ দেওয়া হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও প্রশাসনের কিছু অংশ প্রকাশ্যভাবে নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে, যা দেশবাসী দেখেছে। এসব বিষয়ে আন্তর্জাতিক মহলকেও অবহিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি। নাসীরুদ্দীন তার নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, তিনি এসব ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী এবং ভবিষ্যতে এ পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে বলে তিনি আশা করেন।
রিপোর্টারের নাম 
























