ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে রাজশাহীর গোদাগাড়ীর সাবেক উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা নৃপেন্দ্রনাথ দাসকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলার দুটি ধারায় এই সাজা ঘোষণা করা হয়।
রবিবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোস্তফা পাভেল রায়হান এই রায় প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত নৃপেন্দ্রনাথ দাসকে ২০১৯ সালের ১৪ মে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছিল দুদকের কর্মকর্তারা।
রাজশাহী জেলা সমন্বিত দুদক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জানান, বিশেষ মামলায় নৃপেন্দ্রনাথ দাসের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। রায়ে তাকে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্য আদালতে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হওয়ায় এই রায় এসেছে বলে জানানো হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৪ মে গোদাগাড়ী পৌর সদরের সরমঙ্গলা একতা মৎস্যচাষি সমবায় সমিতির নিবন্ধনের জন্য আব্দুল বাতেন নামে এক ব্যক্তি আবেদন করেন। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তৎকালীন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা নৃপেন্দ্রনাথ দাস ঘুষ হিসেবে ১৫ হাজার টাকা দাবি করেন এবং এর মধ্যে ৭ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। পরে বিষয়টি দুদকে জানানো হলে ফাঁদ পেতে তাকে বাকি ৮ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে আটক করা হয়। এরপর তাকে থানায় সোপর্দ করে মামলা দায়ের করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 





















