বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের হার কম থাকার কারণ এবং তা বৃদ্ধির উপায় জানতে চেয়েছে জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন। সম্প্রতি নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে এই বিষয়ে জানতে চায় সংস্থাটি।
বৈঠক শেষে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অভিজ্ঞতা এবং পরবর্তী পর্যবেক্ষণ নিয়ে ইউএন উইমেনের প্রতিনিধি দল বিভিন্ন প্রশ্ন করে। তারা বিশেষ করে নির্বাচনে নারী প্রতিনিধির সংখ্যা কম থাকার বিষয়টি জানতে চান এবং কীভাবে এটি বাড়ানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা করেন। সচিব জানান, বর্তমানে জাতীয় সংসদে সাতজন নারী সংসদ সদস্য রয়েছেন, তবে প্রতিদ্বন্দ্বী আরও অনেকেই ছিলেন যাদের জয়ী হয়ে আসতে হবে। তিনি আরও জানান, ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে সংরক্ষিত ৫০ জনসহ মোট ৩৫৭ জন নারী প্রতিনিধি রয়েছেন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এই সংখ্যা আরও বাড়বে।
ভোটার তালিকায় নারী-পুরুষের সংখ্যাগত পার্থক্য কমানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। ইসির তথ্য অনুযায়ী, পূর্বে ভোটার তালিকায় নারী-পুরুষের পার্থক্য তিন মিলিয়ন থাকলেও তা কমিয়ে এক দশমিক আট মিলিয়নে আনা হয়েছে এবং এই ব্যবধান আরও কমানোর চেষ্টা চলছে। সচিব আরও উল্লেখ করেন যে, এবারের নির্বাচনে কোনো সহিংসতা হয়নি এবং ভোট বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটেনি। ইউএন উইমেন বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের চলমান সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলেও জানিয়েছে। বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে ইউএন উইমেনের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ন্যারাদজাই গুম্বনজভান্দা, রিজিওনাল ডিরেক্টর ক্রিস্টিন আরব, রিপ্রেজেন্টেটিভ গীতাঞ্জলি সিং, ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ নবনীতা সিনহা ও ইউনিট ম্যানেজার তপাটি সাহা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 



















