ঢাকা ১১:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

ডিএমপি’র নতুন উদ্যোগ: ট্রাফিক আইন ভাঙলে এআই-এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় মামলা

রাজধানীতে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং দুর্ঘটনা কমাতে নতুন কৌশল নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এখন থেকে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা করবে এবং নোটিশ পাঠানো হবে ডাকযোগে ও ডিজিটাল মাধ্যমে। নির্ধারিত সময়ে জরিমানা পরিশোধ না করলে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

লাল সিগন্যাল অমান্য করা বা স্টপ লাইনের বাইরে গাড়ি থামানো এখন সবচেয়ে সাধারণ ট্রাফিক লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ছে। এ ধরনের ঘটনায় ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি ও ভিডিও সংরক্ষণ করে মামলা তৈরি করছে। নির্ধারিত লেনে না চলা বা উল্টো পথে গাড়ি চালানোও কঠোর নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। বিশেষ করে ব্যস্ত মোড় ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে এসব লঙ্ঘনে দ্রুত মামলা হচ্ছে।

এছাড়াও, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানো-নামানো, অবৈধ পার্কিং এবং সড়ক দখল করে গাড়ি দাঁড় করানোও এআই সিস্টেমে ধরা পড়ছে। ফিটনেস ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহন সড়কে নামানো হলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ।

ট্রাফিক বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, নোটিশ পাওয়ার পর তা উপেক্ষা করা হলে পরবর্তী ধাপে আইনগত জটিলতা তৈরি হতে পারে। এআই-নির্ভর এই নজরদারির মূল উদ্দেশ্য সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং দুর্ঘটনা কমানো। এখন আর ট্রাফিক আইন ভঙ্গ গোপন থাকার সুযোগ নেই বললেই চলে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈধ কার্ড ছাড়াই হলে থাকছেন ৩ ছাত্রদল কর্মী

ডিএমপি’র নতুন উদ্যোগ: ট্রাফিক আইন ভাঙলে এআই-এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় মামলা

আপডেট সময় : ০২:২৪:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

রাজধানীতে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং দুর্ঘটনা কমাতে নতুন কৌশল নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এখন থেকে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা করবে এবং নোটিশ পাঠানো হবে ডাকযোগে ও ডিজিটাল মাধ্যমে। নির্ধারিত সময়ে জরিমানা পরিশোধ না করলে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

লাল সিগন্যাল অমান্য করা বা স্টপ লাইনের বাইরে গাড়ি থামানো এখন সবচেয়ে সাধারণ ট্রাফিক লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ছে। এ ধরনের ঘটনায় ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি ও ভিডিও সংরক্ষণ করে মামলা তৈরি করছে। নির্ধারিত লেনে না চলা বা উল্টো পথে গাড়ি চালানোও কঠোর নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। বিশেষ করে ব্যস্ত মোড় ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে এসব লঙ্ঘনে দ্রুত মামলা হচ্ছে।

এছাড়াও, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানো-নামানো, অবৈধ পার্কিং এবং সড়ক দখল করে গাড়ি দাঁড় করানোও এআই সিস্টেমে ধরা পড়ছে। ফিটনেস ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহন সড়কে নামানো হলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ।

ট্রাফিক বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, নোটিশ পাওয়ার পর তা উপেক্ষা করা হলে পরবর্তী ধাপে আইনগত জটিলতা তৈরি হতে পারে। এআই-নির্ভর এই নজরদারির মূল উদ্দেশ্য সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং দুর্ঘটনা কমানো। এখন আর ট্রাফিক আইন ভঙ্গ গোপন থাকার সুযোগ নেই বললেই চলে।