ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

তিনবিঘা করিডরে বিএসএফের কড়াকড়ি: চরম ভোগান্তিতে দহগ্রামবাসী

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলের বাসিন্দারা তিনবিঘা করিডর দিয়ে যাতায়াতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ক্রমবর্ধমান কড়াকড়ি ও হয়রানির মুখে পড়েছেন। প্রায় ২২ হাজার মানুষের বসবাসের এই জনপদটি ভারতের ভূখণ্ড দিয়ে বেষ্টিত হওয়ায় যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই করিডর। সাম্প্রতিক সময়ে বিএসএফের নজরদারি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।

১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এই করিডরের প্রশস্ততা অনেক বেশি হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে বাংলাদেশিরা মাত্র ৯ ফুট চওড়া একটি সরু রাস্তা ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন। এই অপ্রশস্ত পথে বড় যানবাহন চলাচলের সময় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। এছাড়া করিডরের দুই পাশে সৌন্দর্যবর্ধনের নামে লাইটপোস্ট ও ফুলের টব বসানোর ফলে রাস্তাটি আরও সংকুচিত হয়ে পড়েছে। সামান্য অসাবধানতায় ভারতীয় স্থাপনার ক্ষতি হলে স্থানীয়দের গুনতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের জরিমানা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০১১ সালে করিডরটি ইজারা দেওয়ার পর থেকে নানা বিধিনিষেধের কবলে পড়তে হচ্ছে তাদের। সিসি ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ফলে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের পর থেকে এই কড়াকড়ি আরও বাড়ানো হয়েছে। বিজিবির পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা থাকলেও দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী দহগ্রামবাসী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈধ কার্ড ছাড়াই হলে থাকছেন ৩ ছাত্রদল কর্মী

তিনবিঘা করিডরে বিএসএফের কড়াকড়ি: চরম ভোগান্তিতে দহগ্রামবাসী

আপডেট সময় : ০২:০৪:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলের বাসিন্দারা তিনবিঘা করিডর দিয়ে যাতায়াতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ক্রমবর্ধমান কড়াকড়ি ও হয়রানির মুখে পড়েছেন। প্রায় ২২ হাজার মানুষের বসবাসের এই জনপদটি ভারতের ভূখণ্ড দিয়ে বেষ্টিত হওয়ায় যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই করিডর। সাম্প্রতিক সময়ে বিএসএফের নজরদারি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।

১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এই করিডরের প্রশস্ততা অনেক বেশি হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে বাংলাদেশিরা মাত্র ৯ ফুট চওড়া একটি সরু রাস্তা ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন। এই অপ্রশস্ত পথে বড় যানবাহন চলাচলের সময় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। এছাড়া করিডরের দুই পাশে সৌন্দর্যবর্ধনের নামে লাইটপোস্ট ও ফুলের টব বসানোর ফলে রাস্তাটি আরও সংকুচিত হয়ে পড়েছে। সামান্য অসাবধানতায় ভারতীয় স্থাপনার ক্ষতি হলে স্থানীয়দের গুনতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের জরিমানা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০১১ সালে করিডরটি ইজারা দেওয়ার পর থেকে নানা বিধিনিষেধের কবলে পড়তে হচ্ছে তাদের। সিসি ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ফলে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের পর থেকে এই কড়াকড়ি আরও বাড়ানো হয়েছে। বিজিবির পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা থাকলেও দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী দহগ্রামবাসী।