ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

১১ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগে দলীয় আনুগত্যের অভিযোগ, ছাত্রশিবিরের তীব্র নিন্দা

দেশের ১১টি শীর্ষস্থানীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগের ক্ষেত্রে একাডেমিক যোগ্যতা ও আইনি প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে রাজনৈতিক আনুগত্যকে প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষাঙ্গনকে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি থেকে মুক্ত করা। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক প্রজ্ঞাপনে সেই গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি। মেধাভিত্তিক সার্চ কমিটির পরিবর্তে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্তদের অনেকের বিরুদ্ধে দলীয় সক্রিয়তা ও প্রশাসনিক অযোগ্যতার অভিযোগ রয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

শিবির নেতারা আরও দাবি করেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অভিভাবকের আসনে বসানো হয়েছে। এমন সিদ্ধান্ত দেশের সচেতন ছাত্রসমাজকে হতাশ করেছে। তারা অবিলম্বে এই নিয়োগগুলো পুনর্বিবেচনা করে যোগ্য ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের উপাচার্য পদে স্থলাভিষিক্ত করার জোর দাবি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আড়াইহাজারে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগে এসআইকে ক্লোজড, পুলিশ লাইনে সংযুক্ত

১১ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগে দলীয় আনুগত্যের অভিযোগ, ছাত্রশিবিরের তীব্র নিন্দা

আপডেট সময় : ১১:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

দেশের ১১টি শীর্ষস্থানীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগের ক্ষেত্রে একাডেমিক যোগ্যতা ও আইনি প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে রাজনৈতিক আনুগত্যকে প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষাঙ্গনকে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি থেকে মুক্ত করা। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক প্রজ্ঞাপনে সেই গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি। মেধাভিত্তিক সার্চ কমিটির পরিবর্তে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্তদের অনেকের বিরুদ্ধে দলীয় সক্রিয়তা ও প্রশাসনিক অযোগ্যতার অভিযোগ রয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

শিবির নেতারা আরও দাবি করেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অভিভাবকের আসনে বসানো হয়েছে। এমন সিদ্ধান্ত দেশের সচেতন ছাত্রসমাজকে হতাশ করেছে। তারা অবিলম্বে এই নিয়োগগুলো পুনর্বিবেচনা করে যোগ্য ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের উপাচার্য পদে স্থলাভিষিক্ত করার জোর দাবি জানান।