কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় বোরো ধান কাটার ধুম পড়লেও শ্রমিকের তীব্র সংকটে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। মাঠভরা সোনালি ধান পেকে থাকলেও সময়মতো ঘরে তুলতে না পারায় ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। দ্বিগুণ মজুরি দিয়েও মিলছে না প্রয়োজনীয় শ্রমিক। ফলে আগাম বৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটছে কৃষিজীবীদের।
জেলার চান্দিনা, মুরাদনগর, বুড়িচং ও দেবিদ্বারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এক সময় যে শ্রমিক ৮০০ টাকায় কাজ করতেন, এখন তাদের দৈনিক মজুরি হিসেবে দুই মণ ধান বা নগদ প্রায় ১৮০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, গ্রামের শ্রমজীবীরা এখন শহরমুখী হয়ে নির্মাণ কাজ বা রিকশা চালনায় ঝুঁকছেন। এতে কৃষি খাতে শ্রমিকের চরম ঘাটতি তৈরি হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, অতিবৃষ্টিতে ইতিমধ্যে কিছু জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা দ্রুত কাটতে না পারলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।
রিপোর্টারের নাম 
























