ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ভোলার দৌলতখানে শ্রেণিকক্ষ সংকটে ৭০০ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, পাঠদান চলছে পরিত্যক্ত কক্ষে

ভোলার দৌলতখান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত এই বিদ্যালয়ে মাত্র দুটি ব্যবহারযোগ্য কক্ষ রয়েছে, যা বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য একেবারেই অপ্রতুল। জায়গার অভাবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে নতুন কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

২০২২ সালে বিদ্যালয়ের একটি জরাজীর্ণ ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করে ভেঙে ফেলার পর দীর্ঘ চার বছরেও সেখানে নতুন কোনো ভবন নির্মিত হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই বিদ্যালয়ের পাশের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত কক্ষ এবং টিনের চালার নিচে পাঠদান চালিয়ে নিতে হচ্ছে। এতে রোদ, বৃষ্টি ও তীব্র গরমে কোমলমতি শিশু ও শিক্ষকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

বর্তমানে যে ভবনটি অবশিষ্ট আছে, সেটিও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়া এবং দেয়ালে ফাটল দেখা দেওয়ায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সব সময় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকরা দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে এই সংকটের স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রামে পাউবোর বাঁধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

ভোলার দৌলতখানে শ্রেণিকক্ষ সংকটে ৭০০ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, পাঠদান চলছে পরিত্যক্ত কক্ষে

আপডেট সময় : ১১:৪১:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

ভোলার দৌলতখান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত এই বিদ্যালয়ে মাত্র দুটি ব্যবহারযোগ্য কক্ষ রয়েছে, যা বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য একেবারেই অপ্রতুল। জায়গার অভাবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে নতুন কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

২০২২ সালে বিদ্যালয়ের একটি জরাজীর্ণ ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করে ভেঙে ফেলার পর দীর্ঘ চার বছরেও সেখানে নতুন কোনো ভবন নির্মিত হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই বিদ্যালয়ের পাশের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত কক্ষ এবং টিনের চালার নিচে পাঠদান চালিয়ে নিতে হচ্ছে। এতে রোদ, বৃষ্টি ও তীব্র গরমে কোমলমতি শিশু ও শিক্ষকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

বর্তমানে যে ভবনটি অবশিষ্ট আছে, সেটিও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়া এবং দেয়ালে ফাটল দেখা দেওয়ায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সব সময় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকরা দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে এই সংকটের স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।