মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেডের (জেএমপিএল) ক্যান্টিনে এলপি গ্যাসের লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। তবে এই ঘটনায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদনে কোনো প্রভাব পড়েনি বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। গত ১৩ মে দুপুরে ডরমিটরি ভবনের অফিসার্স ক্যান্টিনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ক্যান্টিন এলাকার চারজন কর্মীসহ মোট ১২ জন অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন।
জেএমপিএল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে আনুষ্ঠানিক তদন্ত চলছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে তারা পূর্ণ সহযোগিতা করছে। দুর্ঘটনার পরপরই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জরুরি সাড়া প্রদান প্রটোকল সক্রিয় করা হয়। অগ্নিদগ্ধ ব্যক্তিদের দ্রুত প্ল্যান্টের অ্যাম্বুলেন্স ও যানবাহনের মাধ্যমে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ কাজ করে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভবন থেকে ক্যান্টিন এলাকাটি পৃথক হওয়ায় প্ল্যান্টের কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি। ন্যাশনাল লোড ডিসপ্যাচ সেন্টার এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। এই সংকটময় মুহূর্তে দ্রুত পরিদর্শন এবং সহায়তার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে জেএমপিএল।
রিপোর্টারের নাম 





















