ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ভারতে গরুর মাংস রান্নার অভিযোগে ৩ মুসলিম নারী গ্রেপ্তার, ফরেনসিক প্রতিবেদন আসেনি

ভারতে মুসলিমরা প্রতিনিয়তই নানাভাবে হেনস্থার শিকার হচ্ছেন, যা দেশটিতে তাদের জীবনকে ক্রমশ কঠিন করে তুলছে। এবার গরুর মাংস রান্নার অভিযোগে উত্তর প্রদেশের কৌশাম্বি জেলা থেকে শামা পারভিন, শাইস্তা ও ফাতিমা নামে তিন মুসলিম নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে জব্দকৃত মাংসটি আসলে গরুর কি না, তা নিশ্চিত করার জন্য পাঠানো ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন এখনো হাতে আসেনি।

পুলিশের দাবি, গত বুধবার তারা গোপন সূত্রে খবর পায় যে, ওই এলাকার একটি পরিবার গরুর মাংস সংগ্রহ করে বাড়িতে রান্না করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় চারজন পুরুষ বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও, তিন নারী পালানোর চেষ্টা করলে নারী পুলিশ সদস্যরা তাদের আটক করেন।

পুলিশ স্বীকার করেছে যে, জব্দ করা মাংস ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং এটি গরুর মাংস কি না, তা পরীক্ষার ফল পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা সত্ত্বেও, ইতোমধ্যেই ওই তিন নারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, আটক নারীদের স্বামী এবং প্রতিবেশী আরও একজনকে খোঁজা হচ্ছে। তারা সবাই মুম্বাইয়ে কর্মরত ছিলেন এবং সম্প্রতি কৌশাম্বিতে ফিরেছেন। পাশাপাশি মাংসটি কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং এর আগে এ ধরনের কেনাকাটা করা হয়েছিল কি না, তাও তদন্ত করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, উত্তর প্রদেশে গরু জবাইবিরোধী আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এ আইনের আওতায় গরুর মাংস রাখা বা খাওয়ার অভিযোগে প্রায়শই ফৌজদারি মামলা দায়ের করে পুলিশ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্মেনীয় ইস্যু নিয়ে ইসরাইলের পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: তুরস্ক

ভারতে গরুর মাংস রান্নার অভিযোগে ৩ মুসলিম নারী গ্রেপ্তার, ফরেনসিক প্রতিবেদন আসেনি

আপডেট সময় : ০১:২৪:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ভারতে মুসলিমরা প্রতিনিয়তই নানাভাবে হেনস্থার শিকার হচ্ছেন, যা দেশটিতে তাদের জীবনকে ক্রমশ কঠিন করে তুলছে। এবার গরুর মাংস রান্নার অভিযোগে উত্তর প্রদেশের কৌশাম্বি জেলা থেকে শামা পারভিন, শাইস্তা ও ফাতিমা নামে তিন মুসলিম নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে জব্দকৃত মাংসটি আসলে গরুর কি না, তা নিশ্চিত করার জন্য পাঠানো ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন এখনো হাতে আসেনি।

পুলিশের দাবি, গত বুধবার তারা গোপন সূত্রে খবর পায় যে, ওই এলাকার একটি পরিবার গরুর মাংস সংগ্রহ করে বাড়িতে রান্না করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় চারজন পুরুষ বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও, তিন নারী পালানোর চেষ্টা করলে নারী পুলিশ সদস্যরা তাদের আটক করেন।

পুলিশ স্বীকার করেছে যে, জব্দ করা মাংস ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং এটি গরুর মাংস কি না, তা পরীক্ষার ফল পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা সত্ত্বেও, ইতোমধ্যেই ওই তিন নারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, আটক নারীদের স্বামী এবং প্রতিবেশী আরও একজনকে খোঁজা হচ্ছে। তারা সবাই মুম্বাইয়ে কর্মরত ছিলেন এবং সম্প্রতি কৌশাম্বিতে ফিরেছেন। পাশাপাশি মাংসটি কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং এর আগে এ ধরনের কেনাকাটা করা হয়েছিল কি না, তাও তদন্ত করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, উত্তর প্রদেশে গরু জবাইবিরোধী আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এ আইনের আওতায় গরুর মাংস রাখা বা খাওয়ার অভিযোগে প্রায়শই ফৌজদারি মামলা দায়ের করে পুলিশ।