পেয়ারাকে সাধারণ ফল মনে করা হলেও, এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা। এটি চিয়া সিড বা অ্যাভোকাডোর মতো সুপারফুডের তকমা না পেলেও, অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন সকালে খালি পেটে পেয়ারা খাওয়া শরীরের জন্য খুবই উপকারী।
পেয়ারা মিষ্টি হলেও এর গ্লাইসেমিক সূচক (GI) খুবই কম। ২০১৬ সালের গবেষণা অনুসারে, এতে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। খালি পেটে বা খাবারের আগে পেয়ারা খেলে ধীরে ধীরে চিনি নির্গত হয়। তাই ডায়াবেটিস রোগী বা যাদের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রিত নয়, তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ সকালের ফল।
২০২৫ সালের একটি গবেষণা অনুযায়ী, পেয়ারা প্রাকৃতিকভাবে ফাইবারের একটি চমৎকার উৎস। খালি পেটে পেয়ারা খেলে এর ফাইবার এবং প্রাকৃতিক এনজাইম অন্ত্র পরিষ্কার করে এবং অন্ত্রের গতিবিধি উন্নত করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস এবং বদহজমের মতো সমস্যা কমাতেও সাহায্য করে। হজমের স্বাস্থ্যের জন্য পেয়ারা অফুরান শক্তির উৎস। এটি মল নরম করতে এবং মসৃণ মলত্যাগে সহায়তা করে, যা প্রাকৃতিক উপশমের জন্য এটিকে একটি জনপ্রিয় খাবার করে তোলে।
ডাঃ স্মিতা শ্রীবাস্তবের মতে, সকালে খালি পেটে নরম ও তাজা পেয়ারার পাতা খেলে শরীরের ইউরিক অ্যাসিড স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। এটি গাঁটে ব্যথা বা গাউট নিয়ন্ত্রণ করতেও সহায়তা করে।
পেয়ারা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলগুলির মধ্যে অন্যতম। হেলথলাইনের তথ্য অনুযায়ী, একটি পেয়ারায় প্রায় ১০৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকে, যা একটি কমলালেবুর চেয়েও বেশি। খালি পেটে খেলে শরীর এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি দ্রুত শোষণ করে, যার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. পলানিয়াপ্পন মণিক্কম (ডা. পাল নামে পরিচিত) জানিয়েছেন, “অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য পেয়ারার মতো উপকারী ফল আর নেই।”
রিপোর্টারের নাম 
























