রংপুরে গ্রাম আদালতকে আরও শক্তিশালী, জেন্ডার সংবেদনশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করার লক্ষ্যে একটি বিভাগীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩ মে (বুধবার) দুপুরে রংপুর সার্কিট হাউস হলরুমে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথকে সুগম করার লক্ষ্যে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে বাস্তবায়িত ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতায় এই আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসন, রংপুর এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত নারী-পুরুষের সম-অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্রামীণ মানুষের জন্য সহজ, দ্রুত এবং স্বল্প খরচে ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এটি সাধারণ মানুষের জন্য একটি সহজ ও কার্যকর বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, যা আইনি জটিলতা কমিয়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করছে। এর মাধ্যমে নারীদের বিচার পাওয়ার সুযোগ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন সহযোগী সংস্থা ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) সরকারকে মাঠ পর্যায়ে সুনামের সাথে সহায়তা করে আসছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রমিজ আলমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন। তিনি গ্রাম আদালত আইন ও বিধিমালা, প্রকল্পের অর্জন এবং জেন্ডার সংবেদনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গ্রাম আদালত বিষয়ে আলোচনা করেন।
এছাড়াও কর্মশালায় চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার ও যুগ্ম জেলা জজ শবনম মোস্তারী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়নাল আবেদীন, জেন্ডার এনালিস্ট শামীমা আক্তার শাম্মী, ইউএনডিপির মাসুদ রানা, আমার দেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও রংপুর অফিস প্রধান বাদশাহ ওসমানী, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ডিআরটির সদস্যবৃন্দ, ডিজিএম বিসিক, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, ইউপি নারী সদস্য এবং বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ প্রদান করেন।
রিপোর্টারের নাম 























