ঢাকা ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বেইজিংয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প, গুরুত্ব পাচ্ছে বাণিজ্য ও ইরান ইস্যু

দীর্ঘ এক দশকের বিরতি ভেঙে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নেতা হিসেবে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে পৌঁছেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমান ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’ বেইজিংয়ে অবতরণ করে। এই সফরে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বৈশ্বিক নানা অমীমাংসিত বিষয়ে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

সফরটি মূলত গত মার্চ মাসে হওয়ার কথা থাকলেও মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে তা পিছিয়ে যায়। বিশেষ করে ইরান ইস্যুতে চীনের ক্রমবর্ধমান মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার বিষয়টি এই আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। যদিও ট্রাম্প আগে জানিয়েছিলেন যে ইরান ইস্যুতে তার কোনো বহিঃশক্তির সহায়তার প্রয়োজন নেই, তবে বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে বেইজিংয়ের অবস্থান এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আলোচনার টেবিলে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, প্রযুক্তি খাতের প্রতিযোগিতা এবং তাইওয়ান সংকটের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোও থাকবে। ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য চীনের বাজার আরও উন্মুক্ত করার দাবি জানাবেন তিনি। অন্যদিকে, বেইজিং চাইছে গত অক্টোবরের বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে দুই দেশের মধ্যকার শুল্ক সংক্রান্ত উত্তেজনা প্রশমিত করতে।

২০১৭ সালের পর ট্রাম্পের এটিই প্রথম বেইজিং সফর। সফরের সূচিতে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা এবং ঝোংনানহাই সফর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে চীনের শীর্ষ নেতৃত্ব বসবাস ও দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়ালটনের নতুন ৪ মডেলের স্মার্ট ওয়াশিং মেশিন বাজারে

তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বেইজিংয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প, গুরুত্ব পাচ্ছে বাণিজ্য ও ইরান ইস্যু

আপডেট সময় : ০৭:১২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

দীর্ঘ এক দশকের বিরতি ভেঙে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নেতা হিসেবে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে পৌঁছেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমান ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’ বেইজিংয়ে অবতরণ করে। এই সফরে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বৈশ্বিক নানা অমীমাংসিত বিষয়ে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

সফরটি মূলত গত মার্চ মাসে হওয়ার কথা থাকলেও মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে তা পিছিয়ে যায়। বিশেষ করে ইরান ইস্যুতে চীনের ক্রমবর্ধমান মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার বিষয়টি এই আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। যদিও ট্রাম্প আগে জানিয়েছিলেন যে ইরান ইস্যুতে তার কোনো বহিঃশক্তির সহায়তার প্রয়োজন নেই, তবে বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে বেইজিংয়ের অবস্থান এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আলোচনার টেবিলে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, প্রযুক্তি খাতের প্রতিযোগিতা এবং তাইওয়ান সংকটের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোও থাকবে। ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য চীনের বাজার আরও উন্মুক্ত করার দাবি জানাবেন তিনি। অন্যদিকে, বেইজিং চাইছে গত অক্টোবরের বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে দুই দেশের মধ্যকার শুল্ক সংক্রান্ত উত্তেজনা প্রশমিত করতে।

২০১৭ সালের পর ট্রাম্পের এটিই প্রথম বেইজিং সফর। সফরের সূচিতে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা এবং ঝোংনানহাই সফর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে চীনের শীর্ষ নেতৃত্ব বসবাস ও দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করেন।