ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

নেত্রকোণায় ময়লা ফেলা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের ছিলিমপুর গ্রামে ময়লা-আবর্জনা ফেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই ঘটনা ঘটে, এতে নারীসহ অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন ইঞ্জিল মিয়া, তার স্ত্রী হাসিন আক্তার এবং ছোট ভাই রেনু মিয়া। গুরুতর আহত ইঞ্জিল মিয়া ও রেনু মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিল মিয়ার পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার আরাধন গংয়ের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে বুধবার সকালে রেনু মিয়ার দোকানের পাশে ময়লা ফেলাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আরাধন, হাবি, জিয়া ও বিভাসী ধারালো অস্ত্র নিয়ে ইঞ্জিল মিয়াদের ওপর হামলা চালায়।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশু রামিসা হত্যায় দণ্ডপ্রাপ্তদের পক্ষে শুনানির জন্য রাষ্ট্রীয় আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের

নেত্রকোণায় ময়লা ফেলা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩

আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের ছিলিমপুর গ্রামে ময়লা-আবর্জনা ফেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই ঘটনা ঘটে, এতে নারীসহ অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন ইঞ্জিল মিয়া, তার স্ত্রী হাসিন আক্তার এবং ছোট ভাই রেনু মিয়া। গুরুতর আহত ইঞ্জিল মিয়া ও রেনু মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিল মিয়ার পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার আরাধন গংয়ের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে বুধবার সকালে রেনু মিয়ার দোকানের পাশে ময়লা ফেলাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আরাধন, হাবি, জিয়া ও বিভাসী ধারালো অস্ত্র নিয়ে ইঞ্জিল মিয়াদের ওপর হামলা চালায়।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।