ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় শাশুড়ি জ্যোৎস্না রানীকে (৬৫) হত্যার দায়ে জামাতা সুজিত শীলকে (৪২) মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এই রায় ঘোষণা করেন। মামলার ঘটনাপ্রবাহে জানা যায়, হালুয়াঘাট উপজেলার কৈচাপুর বোর্ড বাজার এলাকায় সুজিত শীলের সঙ্গে তার স্ত্রী ইতি রানী শীল এবং শাশুড়ি জ্যোৎস্না রানীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও কলহ চলছিল। এই বিবাদের জেরে ২০২১ সালের ৬ অক্টোবর রাতে পরিবারের অন্য সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়লে সুজিত শীল তার স্ত্রী ইতি রানীকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরে পাশের কক্ষে থাকা শাশুড়ি জ্যোৎস্না রানীকেও দা ও ছুরি দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহত দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন সকালে জ্যোৎস্না রানী মারা যান।
এ ঘটনায় ইতি রানীর বড় বোন সন্ধ্যা রানী শীল বাদী হয়ে হালুয়াঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত এই রায় প্রদান করেন। ময়মনসিংহ আদালতের পরিদর্শক পিএসএম মোস্তাছিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শাশুড়ি হত্যা মামলায় আদালত একজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন এবং রায় ঘোষণার পর আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























