ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

স্ত্রীর সমালোচনা করায় পুরো পুলিশ বাহিনীই বিলুপ্ত করলেন মার্কিন মেয়র

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের কোহুটা শহরের মেয়র রন শিনিক এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার স্ত্রীর কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করায় তিনি শহরের পুরো পুলিশ বিভাগকেই বরখাস্ত করেছেন। মেয়রের এই আকস্মিক পদক্ষেপে পুরো শহরে চাঞ্চল্য ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, মেয়রের স্ত্রী পাম শিনিক আগে মেয়রের কার্যালয়ে কাজ করতেন, কিন্তু অফিসের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে গত বছর বরখাস্ত করা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি অভিযোগ ওঠে যে, বরখাস্ত হওয়া সত্ত্বেও তিনি দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও গোপনীয় তথ্য ব্যবহার করছেন। এই বিষয় নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা ফেসবুকে সমালোচনা শুরু করলে মেয়র ক্ষুব্ধ হন এবং এক সপ্তাহ পরেই পুলিশ বিভাগ বিলুপ্তির ঘোষণা দিয়ে নোটিশ জারি করেন।

বর্তমানে ওই শহরের ১০ জন পুলিশ সদস্য কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। মেয়র তাদের সব সরঞ্জাম সরকারি দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আইনকানুন ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য বাসিন্দাদের এখন থেকে কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের ওপর নির্ভর করতে বলা হয়েছে। মেয়রের এমন ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে নেওয়া সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ের আচরণ ‘লজ্জাজনক’, ক্ষুব্ধ ফুটবল কিংবদন্তিরা

স্ত্রীর সমালোচনা করায় পুরো পুলিশ বাহিনীই বিলুপ্ত করলেন মার্কিন মেয়র

আপডেট সময় : ০৩:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের কোহুটা শহরের মেয়র রন শিনিক এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার স্ত্রীর কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করায় তিনি শহরের পুরো পুলিশ বিভাগকেই বরখাস্ত করেছেন। মেয়রের এই আকস্মিক পদক্ষেপে পুরো শহরে চাঞ্চল্য ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, মেয়রের স্ত্রী পাম শিনিক আগে মেয়রের কার্যালয়ে কাজ করতেন, কিন্তু অফিসের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে গত বছর বরখাস্ত করা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি অভিযোগ ওঠে যে, বরখাস্ত হওয়া সত্ত্বেও তিনি দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও গোপনীয় তথ্য ব্যবহার করছেন। এই বিষয় নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা ফেসবুকে সমালোচনা শুরু করলে মেয়র ক্ষুব্ধ হন এবং এক সপ্তাহ পরেই পুলিশ বিভাগ বিলুপ্তির ঘোষণা দিয়ে নোটিশ জারি করেন।

বর্তমানে ওই শহরের ১০ জন পুলিশ সদস্য কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। মেয়র তাদের সব সরঞ্জাম সরকারি দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আইনকানুন ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য বাসিন্দাদের এখন থেকে কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের ওপর নির্ভর করতে বলা হয়েছে। মেয়রের এমন ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে নেওয়া সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।