দেশে হামের সংক্রমণ কিছুটা কমলেও এর পরবর্তী শারীরিক জটিলতা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। বিশেষ করে হাম থেকে সেরে ওঠার পর শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ায় তারা নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও তীব্র অপুষ্টির মতো প্রাণঘাতী স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের পর অন্তত তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত শিশুদের শরীর অত্যন্ত দুর্বল থাকে, ফলে যেকোনো সংক্রমণ সহজেই আক্রমণ করতে পারে।
রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, হাম-পরবর্তী জটিলতা নিয়ে অসংখ্য শিশু ভর্তি হচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, অনেক ক্ষেত্রে নিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিকও এসব শিশুর শরীরে কাজ করছে না। পুষ্টিবিদদের মতে, দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার পায় না, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশেষ করে ভিটামিন-এ এবং জিঙ্কের ঘাটতি শিশুদের দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের প্রায় ১৮ শতাংশ শিশু নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির বাইরে থাকছে, যা উদ্বেগের বড় কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের সুরক্ষায় সময়মতো টিকা দেওয়া এবং জন্মের পর দুই বছর পর্যন্ত পর্যাপ্ত বুকের দুধ নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় সংক্রমণ কমলেও জটিলতার কারণে শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি থেকেই যাবে।
রিপোর্টারের নাম 

























