ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে মসলার দামে স্বস্তি, কমেছে বেচাকেনাও

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সাধারণত গরম মসলার বাজারে চাহিদা ও দাম দুটোই বেড়ে যায়। তবে, এবার দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। এলাচ, জিরা, জায়ফল, কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, কিসমিস, আলু বোখারাসহ প্রায় সব ধরনের মসলার দাম আগের তুলনায় কমেছে। দাম কমার সঙ্গে সঙ্গে কমেছে বেচাকেনাও, যা নিয়ে হতাশ ব্যবসায়ীরা।

রাজধানীর বৃহৎ পাইকারি মসলা বাজার পুরান ঢাকার মৌলভীবাজার ঘুরে এই পরিস্থিতি দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত দুই বছরের তুলনায় এবার মসলার দাম কম এবং বাজারে সরবরাহও বেশি। ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম হওয়ায় বেচাকেনা আশানুরূপ হচ্ছে না।

বাজারের তথ্য অনুযায়ী, মানভেদে বিভিন্ন ধরনের এলাচ প্রতি কেজি তিন হাজার ৮০০ থেকে পাঁচ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছর পাঁচ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। মধ্যমানের ‘এলএমজি’ এলাচ বর্তমানে কেজিপ্রতি চার হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েক সপ্তাহ আগেও ২০০ টাকা বেশি ছিল এবং গত বছর ছিল চার হাজার ৭০০ থেকে চার হাজার ৮০০ টাকা। অপেক্ষাকৃত কম মানের ‘এসএমজি’ এলাচ এখন বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার ৮০০ টাকায়, যা এক মাস আগে ছিল চার হাজার টাকা এবং গত বছর ছিল চার হাজার ৩০০ টাকা।

অন্যান্য মসলার মধ্যে বর্তমানে ভারতীয় জিরা প্রতি কেজি ৫১৫ টাকা এবং আফগান জিরা ৬৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি লবঙ্গ এক হাজার ৩০০ টাকা, কালো গোলমরিচ এক হাজার ৩০ টাকা, সাদা গোলমরিচ এক হাজার ২৩০ টাকা, জায়ফল মানভেদে ৮০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা, কাঠবাদাম ও কাজুবাদাম এক হাজার ৩০০ টাকা, সোনালি কিসমিস ৮০০ টাকা এবং লম্বা কিসমিস ৭৯০ টাকা, মেথি ১৩২ টাকা, ধনিয়া ১৬০ টাকা, মৌরি ১৭৫ টাকা এবং দারুচিনি ৪৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, সপ্তাহখানেক আগেও দাম কিছুটা বেশি থাকলেও এখন কমেছে। বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত থাকায় আমদানি বেড়েছে, ফলে বাজারে মসলার সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দামও কমেছে। তবে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে যে পরিমাণ বেচাকেনা হওয়ার কথা, তা না হওয়ায় তারা কিছুটা হতাশ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির বিদেশ সফরের প্রটোকলে পরিবর্তন: বিমানবন্দরে উপস্থিতির তালিকা সংক্ষিপ্ত

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে মসলার দামে স্বস্তি, কমেছে বেচাকেনাও

আপডেট সময় : ০৮:৩৪:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সাধারণত গরম মসলার বাজারে চাহিদা ও দাম দুটোই বেড়ে যায়। তবে, এবার দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। এলাচ, জিরা, জায়ফল, কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, কিসমিস, আলু বোখারাসহ প্রায় সব ধরনের মসলার দাম আগের তুলনায় কমেছে। দাম কমার সঙ্গে সঙ্গে কমেছে বেচাকেনাও, যা নিয়ে হতাশ ব্যবসায়ীরা।

রাজধানীর বৃহৎ পাইকারি মসলা বাজার পুরান ঢাকার মৌলভীবাজার ঘুরে এই পরিস্থিতি দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত দুই বছরের তুলনায় এবার মসলার দাম কম এবং বাজারে সরবরাহও বেশি। ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম হওয়ায় বেচাকেনা আশানুরূপ হচ্ছে না।

বাজারের তথ্য অনুযায়ী, মানভেদে বিভিন্ন ধরনের এলাচ প্রতি কেজি তিন হাজার ৮০০ থেকে পাঁচ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছর পাঁচ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। মধ্যমানের ‘এলএমজি’ এলাচ বর্তমানে কেজিপ্রতি চার হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েক সপ্তাহ আগেও ২০০ টাকা বেশি ছিল এবং গত বছর ছিল চার হাজার ৭০০ থেকে চার হাজার ৮০০ টাকা। অপেক্ষাকৃত কম মানের ‘এসএমজি’ এলাচ এখন বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার ৮০০ টাকায়, যা এক মাস আগে ছিল চার হাজার টাকা এবং গত বছর ছিল চার হাজার ৩০০ টাকা।

অন্যান্য মসলার মধ্যে বর্তমানে ভারতীয় জিরা প্রতি কেজি ৫১৫ টাকা এবং আফগান জিরা ৬৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি লবঙ্গ এক হাজার ৩০০ টাকা, কালো গোলমরিচ এক হাজার ৩০ টাকা, সাদা গোলমরিচ এক হাজার ২৩০ টাকা, জায়ফল মানভেদে ৮০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা, কাঠবাদাম ও কাজুবাদাম এক হাজার ৩০০ টাকা, সোনালি কিসমিস ৮০০ টাকা এবং লম্বা কিসমিস ৭৯০ টাকা, মেথি ১৩২ টাকা, ধনিয়া ১৬০ টাকা, মৌরি ১৭৫ টাকা এবং দারুচিনি ৪৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, সপ্তাহখানেক আগেও দাম কিছুটা বেশি থাকলেও এখন কমেছে। বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত থাকায় আমদানি বেড়েছে, ফলে বাজারে মসলার সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দামও কমেছে। তবে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে যে পরিমাণ বেচাকেনা হওয়ার কথা, তা না হওয়ায় তারা কিছুটা হতাশ।