প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য এবং মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর ও কঠোর ভূমিকা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।
এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দেড় দশক পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা জনমনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। জনগণ এখন গুম, অপহরণ এবং ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র ও সমাজ প্রত্যাশা করে। এমন একটি পরিবেশে যেখানে জানমালের নিরাপত্তা থাকবে এবং অবিচার, অনাচার বা নির্যাতন-নিপীড়নের ভয় থাকবে না, সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে পুলিশের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, একটি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে পুলিশ বাহিনীর কোনো বিকল্প নেই। পুলিশ যদি জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করতে পারে, তবে তাদের দায়িত্ব পালনের পথ অনেক সহজ হয়ে আসে। রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জনগণের আস্থা রক্ষায় একটি পেশাদার ও দায়িত্বশীল পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, প্রতি বছর অনুষ্ঠিত পুলিশ সপ্তাহ নিজেদের জনগণের বিশ্বস্ত হয়ে ওঠার অঙ্গীকার পূরণের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে পরিণত হবে। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা-সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। তবে জনমনে নিরাপত্তা ও স্বস্তি না থাকলে এই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে। তাই পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই এই মুহূর্তে সরকারের অগ্রাধিকার।
তারেক রহমান আরও বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রতিটি প্রয়োজন ও সংকটে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা প্রমাণ করেছে যে, একটি উপযোগী ও অনুকূল পরিবেশে তারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ সক্ষম।
রিপোর্টারের নাম 





















