ঢাকা ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

খুলনায় কোরবানির পশুর উদ্বৃত্ত, দাম কমার সম্ভাবনা

খুলনা বিভাগে এবার কোরবানির পশু নিয়ে সংকট নেই। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হওয়ায় দাম ক্রেতাদের নাগালেই থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই বছর কোরবানির জন্য খুলনা বিভাগে মোট ১০ লাখ ৭৯ হাজার পশুর চাহিদা থাকলেও, মজুত রয়েছে ১৪ লাখ ৪৭ হাজার পশু। ফলে ৩ লাখ ৬৭ হাজারেরও বেশি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে, যা চাহিদার প্রায় ২৪.৬১ শতাংশ বেশি।

খুলনা প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের পরিচালক ড. গোলাম হায়দার জানিয়েছেন, স্থানীয় পশু দিয়েই কোরবানির শতভাগ চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। চাহিদার তুলনায় মজুত বেশি থাকায় পশুর দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। ঈদুল আজহার আগেই বিভাগের ১০টি জেলা এবং খুলনা শহরের অস্থায়ী পশুর হাটগুলোতে পর্যাপ্ত পশু আনা হবে, তাই অন্য জেলা থেকে পশু আনার প্রয়োজন হবে না। এই বছর কোরবানির পশুর মধ্যে রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার ষাঁড়, ৩২ হাজার বলদ, ৮২ হাজার বকনা ও গাই, ৪ হাজার মহিষ, ৮ লাখ ৫১ হাজার ছাগল এবং ৫১ হাজার ভেড়া।

তবে, পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে এ বছর পশুর দাম কিছুটা বেশি হতে পারে বলে খামারিরা জানিয়েছেন। ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষক দিদারুল আলম তার দেশি গরু পালনের কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি ঘাস, ভুট্টা, গমের ভুসি ও স্থানীয় পশুখাদ্য ব্যবহার করে পশুগুলোকে সুস্থ ও আকর্ষণীয় করে তুলেছেন। অন্যদিকে, রূপসা উপজেলার সামন্তসেনা গ্রামের খামারি সাহাবুদ্দিন আহমেদ পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

খুলনা বিভাগের বেশ কিছু জেলায় গবাদি পশুর হাট বসতে শুরু করেছে। তবে ব্যবসায়ী ও ইজারাদাররা বলছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পুরোদমে কেনাবেচা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, খুলনা মহানগরীর জোড়াগেট পশুর হাটের ইজারাদার নিয়োগের জন্য চতুর্থবারের মতো টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে, কারণ পূর্বের তিন দফায় সাড়া পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাওরাঞ্চলে হাহাকার: পানিতে পচছে ধান, ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত কৃষক

খুলনায় কোরবানির পশুর উদ্বৃত্ত, দাম কমার সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ১০:৩০:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

খুলনা বিভাগে এবার কোরবানির পশু নিয়ে সংকট নেই। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হওয়ায় দাম ক্রেতাদের নাগালেই থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই বছর কোরবানির জন্য খুলনা বিভাগে মোট ১০ লাখ ৭৯ হাজার পশুর চাহিদা থাকলেও, মজুত রয়েছে ১৪ লাখ ৪৭ হাজার পশু। ফলে ৩ লাখ ৬৭ হাজারেরও বেশি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে, যা চাহিদার প্রায় ২৪.৬১ শতাংশ বেশি।

খুলনা প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের পরিচালক ড. গোলাম হায়দার জানিয়েছেন, স্থানীয় পশু দিয়েই কোরবানির শতভাগ চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। চাহিদার তুলনায় মজুত বেশি থাকায় পশুর দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। ঈদুল আজহার আগেই বিভাগের ১০টি জেলা এবং খুলনা শহরের অস্থায়ী পশুর হাটগুলোতে পর্যাপ্ত পশু আনা হবে, তাই অন্য জেলা থেকে পশু আনার প্রয়োজন হবে না। এই বছর কোরবানির পশুর মধ্যে রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার ষাঁড়, ৩২ হাজার বলদ, ৮২ হাজার বকনা ও গাই, ৪ হাজার মহিষ, ৮ লাখ ৫১ হাজার ছাগল এবং ৫১ হাজার ভেড়া।

তবে, পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে এ বছর পশুর দাম কিছুটা বেশি হতে পারে বলে খামারিরা জানিয়েছেন। ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষক দিদারুল আলম তার দেশি গরু পালনের কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি ঘাস, ভুট্টা, গমের ভুসি ও স্থানীয় পশুখাদ্য ব্যবহার করে পশুগুলোকে সুস্থ ও আকর্ষণীয় করে তুলেছেন। অন্যদিকে, রূপসা উপজেলার সামন্তসেনা গ্রামের খামারি সাহাবুদ্দিন আহমেদ পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

খুলনা বিভাগের বেশ কিছু জেলায় গবাদি পশুর হাট বসতে শুরু করেছে। তবে ব্যবসায়ী ও ইজারাদাররা বলছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পুরোদমে কেনাবেচা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, খুলনা মহানগরীর জোড়াগেট পশুর হাটের ইজারাদার নিয়োগের জন্য চতুর্থবারের মতো টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে, কারণ পূর্বের তিন দফায় সাড়া পাওয়া যায়নি।