ঢাকা ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর ব্যবহার ৭০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা সরকারের

ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশে গর্ভনিরোধক সামগ্রীর ব্যবহার বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ ব্যক্তিগত উদ্যোগে এসব সামগ্রী ব্যবহার করেন। যথাযথ সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই হার ৭০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে সরকারের ওপর চাপ কমবে এবং সাশ্রয় হওয়া অর্থ জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে ব্যয় করা সম্ভব হবে।

সম্প্রতি রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক নীতি সংলাপে প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার দ্বৈততা পরিহার করতে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, পরিবার পরিকল্পনা এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের অধীনে কর্মরত প্রায় ৪০ হাজার কর্মীকে একটি সমন্বিত কাঠামোর অধীনে আনা হচ্ছে।

সরকার আরও এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান ও নতুন মিলিয়ে মোট এক লাখ ৪০ হাজার কর্মীর জন্য অভিন্ন জব ডেসক্রিপশন এবং ‘অ্যাসেনশিয়াল সার্ভিস প্যাকেজ’ নিশ্চিত করা হবে। এতে সেবার মান যেমন বৃদ্ধি পাবে, তেমনি কাভারেজ গ্যাপ দূর হবে। সরকার এখন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ও সামগ্রিক স্বাস্থ্য সচেতনতার ওপর অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানি হামলাকে ‘লাভ ট্যাপ’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি

জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর ব্যবহার ৭০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা সরকারের

আপডেট সময় : ০৬:৫৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশে গর্ভনিরোধক সামগ্রীর ব্যবহার বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ ব্যক্তিগত উদ্যোগে এসব সামগ্রী ব্যবহার করেন। যথাযথ সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই হার ৭০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে সরকারের ওপর চাপ কমবে এবং সাশ্রয় হওয়া অর্থ জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে ব্যয় করা সম্ভব হবে।

সম্প্রতি রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক নীতি সংলাপে প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার দ্বৈততা পরিহার করতে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, পরিবার পরিকল্পনা এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের অধীনে কর্মরত প্রায় ৪০ হাজার কর্মীকে একটি সমন্বিত কাঠামোর অধীনে আনা হচ্ছে।

সরকার আরও এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান ও নতুন মিলিয়ে মোট এক লাখ ৪০ হাজার কর্মীর জন্য অভিন্ন জব ডেসক্রিপশন এবং ‘অ্যাসেনশিয়াল সার্ভিস প্যাকেজ’ নিশ্চিত করা হবে। এতে সেবার মান যেমন বৃদ্ধি পাবে, তেমনি কাভারেজ গ্যাপ দূর হবে। সরকার এখন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ও সামগ্রিক স্বাস্থ্য সচেতনতার ওপর অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।