ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় ইসি’র নতুন সফটওয়্যার চালু

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও সুসংহত ও কার্যকর করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) চালু করেছে ‘ইলেকশন সিডিউল ম্যানেজমেন্ট মডিউল (ইএমএস)’ নামের একটি নতুন সফটওয়্যার। এই উদ্যোগের ফলে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা আরও সময়োপযোগী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে যে, এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ রাখা সম্ভব হবে। এটি নির্বাচন তফসিল ঘোষণার প্রক্রিয়াকে সহজ এবং কার্যকর করতে সহায়তা করবে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য এই সফটওয়্যারে এন্ট্রি করতে পারবেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন—সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সময়মতো অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে একটি ‘নির্বাচনি ক্যালেন্ডার’ সফটওয়্যারও প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বশেষ নির্বাচনের তারিখ, গেজেট প্রকাশ, শপথগ্রহণ এবং প্রথম সভার তারিখসহ ওয়ার্ড বিন্যাস, ভোটার তালিকা পুনর্বিন্যাস এবং মামলা সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ থাকবে। উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তারা সফটওয়্যারে প্রয়োজনীয় তথ্য এন্ট্রি করবেন এবং আগামী ১৫ মে’র মধ্যে তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং তথ্য যাচাই করে প্রত্যয়ন দেবেন। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আইসিটি অনুবিভাগ মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য এন্ট্রি ও মনিটরিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন কোচের বেতন সর্বোচ্চ ৪০ হাজার ডলার, সর্বনিম্ন ১৫ হাজার

নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় ইসি’র নতুন সফটওয়্যার চালু

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও সুসংহত ও কার্যকর করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) চালু করেছে ‘ইলেকশন সিডিউল ম্যানেজমেন্ট মডিউল (ইএমএস)’ নামের একটি নতুন সফটওয়্যার। এই উদ্যোগের ফলে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা আরও সময়োপযোগী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে যে, এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ রাখা সম্ভব হবে। এটি নির্বাচন তফসিল ঘোষণার প্রক্রিয়াকে সহজ এবং কার্যকর করতে সহায়তা করবে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য এই সফটওয়্যারে এন্ট্রি করতে পারবেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন—সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সময়মতো অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে একটি ‘নির্বাচনি ক্যালেন্ডার’ সফটওয়্যারও প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বশেষ নির্বাচনের তারিখ, গেজেট প্রকাশ, শপথগ্রহণ এবং প্রথম সভার তারিখসহ ওয়ার্ড বিন্যাস, ভোটার তালিকা পুনর্বিন্যাস এবং মামলা সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ থাকবে। উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তারা সফটওয়্যারে প্রয়োজনীয় তথ্য এন্ট্রি করবেন এবং আগামী ১৫ মে’র মধ্যে তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং তথ্য যাচাই করে প্রত্যয়ন দেবেন। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আইসিটি অনুবিভাগ মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য এন্ট্রি ও মনিটরিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।