ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

বিশ্বজুড়ে নতুন আতঙ্ক ‘হান্টাভাইরাস’, প্রমোদতরীতে তিনজনের প্রাণহানি

আটলান্টিক মহাসাগরে একটি প্রমোদতরীতে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়া ‘হান্টাভাইরাস’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভ্রমণে থাকা যাত্রীদের মধ্যে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় ইতোমধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে তীব্র শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হান্টাভাইরাস মূলত ইঁদুরজাতীয় প্রাণীর মল, মূত্র বা লালা থেকে ছড়ায়। বাতাসে মিশে থাকা ভাইরাসের কণা নিশ্বাসের মাধ্যমে মানুষের ফুসফুসে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটায়। প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণ জ্বর ও পেশিতে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিলেও কয়েক দিনের মধ্যেই এটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। এই রোগে মৃত্যুহার প্রায় ৩৮ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

বর্তমানে হান্টাভাইরাসের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন নেই, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। আক্রান্তদের মূলত নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো এই ভাইরাসের বিস্তার রোধে আক্রান্তদের আইসোলেশনে রাখা এবং দ্রুত শনাক্তকরণের ওপর জোর দিচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইপিএলের মেগা ফাইনাল আহমেদাবাদে, চূড়ান্ত সূচি ঘোষণা করল বিসিসিআই

বিশ্বজুড়ে নতুন আতঙ্ক ‘হান্টাভাইরাস’, প্রমোদতরীতে তিনজনের প্রাণহানি

আপডেট সময় : ০৪:০৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

আটলান্টিক মহাসাগরে একটি প্রমোদতরীতে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়া ‘হান্টাভাইরাস’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভ্রমণে থাকা যাত্রীদের মধ্যে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় ইতোমধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে তীব্র শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হান্টাভাইরাস মূলত ইঁদুরজাতীয় প্রাণীর মল, মূত্র বা লালা থেকে ছড়ায়। বাতাসে মিশে থাকা ভাইরাসের কণা নিশ্বাসের মাধ্যমে মানুষের ফুসফুসে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটায়। প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণ জ্বর ও পেশিতে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিলেও কয়েক দিনের মধ্যেই এটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। এই রোগে মৃত্যুহার প্রায় ৩৮ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

বর্তমানে হান্টাভাইরাসের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন নেই, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। আক্রান্তদের মূলত নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো এই ভাইরাসের বিস্তার রোধে আক্রান্তদের আইসোলেশনে রাখা এবং দ্রুত শনাক্তকরণের ওপর জোর দিচ্ছে।