দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বিদ্যালয়ে চাকরি করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। দাউদপুর বালিকা বিদ্যালয়ের ওই শিক্ষিকা ২০০৬ সালে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে নিয়োগ পেলেও সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক তদন্তে তার সনদটি ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে।
পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই শিক্ষিকা জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়ে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা বাবদ মোট ১৪ লাখ ৪০ হাজার ৯০০ টাকা গ্রহণ করেছেন। এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে যে, তার নিয়োগ বিধিসম্মত ছিল না এবং তিনি সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার যোগ্য নন। এর পরিপ্রেক্ষিতে উত্তোলিত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষিকা দাবি করেছেন যে তিনি যথাযথ প্রক্রিয়ায় সনদ পেয়েছেন, তবে অডিট রিপোর্টে কেন তাকে ভুয়া বলা হলো তা তিনি খতিয়ে দেখছেন। অন্যদিকে, স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 

























