ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

ইপিআই কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: ১৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে দেশের সফল ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তবে বর্তমান সরকার শিশুদের জীবন রক্ষাকারী এই কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করেন।

বুধবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউনিসেফের দেওয়া অতিরিক্ত ১৫ লাখ ডোজ এমআর এবং টিডি ভ্যাকসিন গ্রহণকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ১৯৭৯ সাল থেকে পরিচালিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে ১২টি মারাত্মক প্রতিরোধযোগ্য রোগের হাত থেকে শিশু ও নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই সফলতার জন্য গ্যাভি বাংলাদেশকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি প্রচলিত টেন্ডার প্রক্রিয়া বাতিল করে সরাসরি ইউনিসেফের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ নেন। বর্তমানে দেশে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন জোরদার করা হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে প্রায় ৮৩.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ইউনিসেফকে প্রদান করেছে, যার মাধ্যমে ৯৫ মিলিয়ন ডোজ বিভিন্ন ধরনের ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হচ্ছে। নিয়মিত টিকাদানের পাশাপাশি ক্যাম্পেইনগুলো সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রহ্মপুত্র নদের ভয়াবহ ভাঙন: বকশীগঞ্জে মানববন্ধন, স্থায়ী সমাধানের দাবি

ইপিআই কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: ১৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে দেশের সফল ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তবে বর্তমান সরকার শিশুদের জীবন রক্ষাকারী এই কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করেন।

বুধবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউনিসেফের দেওয়া অতিরিক্ত ১৫ লাখ ডোজ এমআর এবং টিডি ভ্যাকসিন গ্রহণকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ১৯৭৯ সাল থেকে পরিচালিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে ১২টি মারাত্মক প্রতিরোধযোগ্য রোগের হাত থেকে শিশু ও নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই সফলতার জন্য গ্যাভি বাংলাদেশকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি প্রচলিত টেন্ডার প্রক্রিয়া বাতিল করে সরাসরি ইউনিসেফের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ নেন। বর্তমানে দেশে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন জোরদার করা হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে প্রায় ৮৩.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ইউনিসেফকে প্রদান করেছে, যার মাধ্যমে ৯৫ মিলিয়ন ডোজ বিভিন্ন ধরনের ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হচ্ছে। নিয়মিত টিকাদানের পাশাপাশি ক্যাম্পেইনগুলো সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।