ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

সঞ্চয় ফেরতের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে আমানতকারীদের মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ

অবসায়ন প্রক্রিয়ায় থাকা ছয়টি অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) ভুক্তভোগী আমানতকারীরা তাদের পাওনা টাকা দ্রুত ফেরতের দাবিতে রাজধানীতে এক ব্যতিক্রমী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে শতাধিক আমানতকারী মুখে কালো কাপড় বেঁধে এই প্রতিবাদ জানান। দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত না পেয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকা এই ভুক্তভোগীরা তাদের অসহায়ত্বের চিত্র তুলে ধরেন।

আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রায় ১২ হাজার আমানতকারীর সঞ্চয় গত সাত বছর ধরে এসব প্রতিষ্ঠানে আটকে রয়েছে। মানববন্ধনে পাঠ করা লিখিত বক্তব্যে তারা জানান, সঞ্চিত অর্থ ফেরত না পাওয়ায় অনেক পরিবার বর্তমানে মানবিক সংকটের সম্মুখীন। ক্যানসার, কিডনি ও হৃদরোগের মতো গুরুতর রোগে আক্রান্ত অনেক আমানতকারী অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না। এমনকি চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে না পেরে ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকজন আমানতকারীর মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

বিক্ষুব্ধ আমানতকারীরা অভিযোগ করেন, দেশের আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে জনগণের আমানত সুরক্ষার মূল দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও কার্যকর কোনো সমাধান না আসায় তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন। এ সময় তারা গভর্নর ঘোষিত ২০২৬ সালের জুলাই মাসের মধ্যে আমানত ফেরতের একটি সুস্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ দ্রুত প্রকাশের দাবি জানান। একইসঙ্গে ব্যক্তি আমানতকারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাওনা পরিশোধের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রহ্মপুত্র নদের ভয়াবহ ভাঙন: বকশীগঞ্জে মানববন্ধন, স্থায়ী সমাধানের দাবি

সঞ্চয় ফেরতের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে আমানতকারীদের মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

অবসায়ন প্রক্রিয়ায় থাকা ছয়টি অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) ভুক্তভোগী আমানতকারীরা তাদের পাওনা টাকা দ্রুত ফেরতের দাবিতে রাজধানীতে এক ব্যতিক্রমী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে শতাধিক আমানতকারী মুখে কালো কাপড় বেঁধে এই প্রতিবাদ জানান। দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত না পেয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকা এই ভুক্তভোগীরা তাদের অসহায়ত্বের চিত্র তুলে ধরেন।

আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রায় ১২ হাজার আমানতকারীর সঞ্চয় গত সাত বছর ধরে এসব প্রতিষ্ঠানে আটকে রয়েছে। মানববন্ধনে পাঠ করা লিখিত বক্তব্যে তারা জানান, সঞ্চিত অর্থ ফেরত না পাওয়ায় অনেক পরিবার বর্তমানে মানবিক সংকটের সম্মুখীন। ক্যানসার, কিডনি ও হৃদরোগের মতো গুরুতর রোগে আক্রান্ত অনেক আমানতকারী অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না। এমনকি চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে না পেরে ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকজন আমানতকারীর মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

বিক্ষুব্ধ আমানতকারীরা অভিযোগ করেন, দেশের আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে জনগণের আমানত সুরক্ষার মূল দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও কার্যকর কোনো সমাধান না আসায় তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন। এ সময় তারা গভর্নর ঘোষিত ২০২৬ সালের জুলাই মাসের মধ্যে আমানত ফেরতের একটি সুস্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ দ্রুত প্রকাশের দাবি জানান। একইসঙ্গে ব্যক্তি আমানতকারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাওনা পরিশোধের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।