কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুমকে মুচলেকা দিয়ে ১২ ঘণ্টা পর থানা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তিনি রোববার রাত ১২টার দিকে কোতোয়ালি মডেল থানা থেকে ছাড়া পান। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করা হয়েছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হানের জিম্মায় তাকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি নেতা রেজাউল কাইয়ুম বলেছেন, শাসনগাছা বাস স্ট্যান্ডে কেউ চাঁদাবাজি করলে তিনি প্রশাসনকে সহায়তা করবেন।
রোববার দুপুর ১১টার দিকে কুমিল্লা শহরের শাসনগাছা এলাকার বাসা থেকে রেজাউল কাইয়ুমকে আটক করে কোতোয়ালি মডেল থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা।
রেজাউল কাইয়ুমের আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে শাসনগাছা বাস টার্মিনাল থেকে সকল রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা।
এ সময় থানার সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশ আটকের কারণ প্রাথমিকভাবে জানায়নি। তবে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর শাসনগাছা বাস টার্মিনালে যানবাহন থেকে চাঁদা আদায় সংক্রান্ত আলোচনায় আসেন রেজাউল কাইয়ুম ও তার অনুসারীরা। একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার গোপন রিপোর্টেও রেজাউল কাইয়ুমের চাঁদাবাজির বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে অবগত ছিল। সম্প্রতি পরিবহনসহ বিভিন্ন সেক্টরে চাঁদাবাজির ঘটনায় তিনি নতুন করে আলোচনায় আসেন।
জেলা পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশ আসার পরই পুলিশ তাকে আটক করেছিল।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, কিছু অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে থানায় আনা হয়েছিল। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে কোনো মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়নি।
গণমাধ্যম কর্মীদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, এমন একটি বিষয় তিনি শুনেছেন। কুমিল্লার একটি বাস স্ট্যান্ডসহ অন্যান্য যানবাহনের ইজারা নিয়ে বেশি টাকা আদায় সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে এই ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রিপোর্টারের নাম 






















