ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নজিরবিহীন ঘটনা: পরীক্ষা বর্জন করে ২৭ শিক্ষার্থীর সবাই ফেল

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যান্ড ওশান সায়েন্সেস অনুষদে এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে। পূর্বপরিকল্পিতভাবে একটি বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করায় বিভাগের ২৭ জন শিক্ষার্থীকে ফেল করানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিপন্থী এই গণ-অনুপস্থিতির বিষয়টি এখন ক্যাম্পাসে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী ফেল করা শিক্ষার্থীদের রিপিট পরীক্ষা দেওয়ার কথা থাকলেও, বিশেষ বিবেচনায় তাদের নিয়মিত হিসেবে স্পেশাল সেমিস্টার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে, যা নিয়ে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত ৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ‘ফিশ হেলথ ম্যানেজমেন্ট’ পরীক্ষা ঘিরে। ওইদিন বিভাগের ২৭ শিক্ষার্থী সম্মিলিতভাবে পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকেন। গত ৩০ এপ্রিল প্রকাশিত ফলাফলে তাদের সবাইকে অকৃতকার্য দেখানো হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সহপাঠী তাহসিনা আনোয়ার শর্মী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা পেছানোর দাবি জানিয়েছিলেন। কর্তৃপক্ষ সেই দাবি নাকচ করে দিলে শিক্ষার্থীরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন এবং এক পর্যায়ে পরীক্ষা বয়কটের সিদ্ধান্ত নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়মিত পরীক্ষার সুযোগ চেয়ে আবেদন করেন। বিষয়টি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বিধিমালার আলোকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নজিরবিহীন ঘটনা: পরীক্ষা বর্জন করে ২৭ শিক্ষার্থীর সবাই ফেল

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নজিরবিহীন ঘটনা: পরীক্ষা বর্জন করে ২৭ শিক্ষার্থীর সবাই ফেল

আপডেট সময় : ০১:৩৫:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যান্ড ওশান সায়েন্সেস অনুষদে এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে। পূর্বপরিকল্পিতভাবে একটি বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করায় বিভাগের ২৭ জন শিক্ষার্থীকে ফেল করানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিপন্থী এই গণ-অনুপস্থিতির বিষয়টি এখন ক্যাম্পাসে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী ফেল করা শিক্ষার্থীদের রিপিট পরীক্ষা দেওয়ার কথা থাকলেও, বিশেষ বিবেচনায় তাদের নিয়মিত হিসেবে স্পেশাল সেমিস্টার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে, যা নিয়ে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত ৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ‘ফিশ হেলথ ম্যানেজমেন্ট’ পরীক্ষা ঘিরে। ওইদিন বিভাগের ২৭ শিক্ষার্থী সম্মিলিতভাবে পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকেন। গত ৩০ এপ্রিল প্রকাশিত ফলাফলে তাদের সবাইকে অকৃতকার্য দেখানো হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সহপাঠী তাহসিনা আনোয়ার শর্মী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা পেছানোর দাবি জানিয়েছিলেন। কর্তৃপক্ষ সেই দাবি নাকচ করে দিলে শিক্ষার্থীরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন এবং এক পর্যায়ে পরীক্ষা বয়কটের সিদ্ধান্ত নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়মিত পরীক্ষার সুযোগ চেয়ে আবেদন করেন। বিষয়টি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বিধিমালার আলোকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।