দেশের বিভিন্ন জেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও ভারী বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঝড়ের কবলে পড়ে অসংখ্য গাছপালা উপড়ে গেছে এবং বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে বোরো ধানের মৌসুমে এমন প্রতিকূল আবহাওয়ায় কৃষকের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় হাজার হাজার মানুষ অন্ধকারে রয়েছেন।
ভোলা ও পিরোজপুর অঞ্চলে ঝড়ের তীব্রতা ছিল সবচেয়ে বেশি। ভোলায় গাছ উপড়ে পড়ে সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। অন্যদিকে পিরোজপুরের কাউখালীতে ঝড়ে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ায় বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে, তবে স্বাভাবিক হতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।
নাটোরের সিংড়ায় চলনবিল অঞ্চলের কৃষকরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। আত্রাই নদীর পানি বৃদ্ধি এবং টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে শত শত হেক্টর জমির পাকা ধান। মাত্র ১৫ শতাংশ ধান কাটার পরেই এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন চলনবিলের কৃষকরা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে কৃষকদের সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 




















