ঢাকা ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

নির্বাচনের পর জনদুর্ভোগ কয়েক গুণ বেড়েছে: ফেনীতে ১১ দলীয় জোট

নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর ফেনী জেলা আমির মুফতি আবদুল হান্নান। শনিবার বিকেলে ফেনীর মিজান ময়দানে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণের দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

মুফতি আবদুল হান্নান বলেন, গণভোটের রায়ের প্রতি জনগণের সুস্পষ্ট সমর্থন থাকলেও তা বাস্তবায়নে টালবাহানা করা হচ্ছে। বর্তমানে সাধারণ মানুষ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা, জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। তিনি অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং সন্ত্রাস দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে ট্রাংক রোডের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবি সম্বলিত স্লোগান দেন। কর্মসূচিতে জোটভুক্ত দলগুলোর জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা অংশ নিয়ে জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে বাধা: ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ফিফাকে ইরানের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ

নির্বাচনের পর জনদুর্ভোগ কয়েক গুণ বেড়েছে: ফেনীতে ১১ দলীয় জোট

আপডেট সময় : ১১:১৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর ফেনী জেলা আমির মুফতি আবদুল হান্নান। শনিবার বিকেলে ফেনীর মিজান ময়দানে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণের দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

মুফতি আবদুল হান্নান বলেন, গণভোটের রায়ের প্রতি জনগণের সুস্পষ্ট সমর্থন থাকলেও তা বাস্তবায়নে টালবাহানা করা হচ্ছে। বর্তমানে সাধারণ মানুষ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা, জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। তিনি অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং সন্ত্রাস দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে ট্রাংক রোডের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবি সম্বলিত স্লোগান দেন। কর্মসূচিতে জোটভুক্ত দলগুলোর জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা অংশ নিয়ে জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।