সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে এখন আর ধান কাটার সেই চিরচেনা উৎসবের আমেজ নেই। পাহাড়ি ঢল ও টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণে তলিয়ে যাওয়া অধিকাংশ ধান পচে নষ্ট হয়ে গেছে। দুদিন ধরে রোদ উঠলেও কৃষকের মুখে হাসি নেই, বরং পচে যাওয়া ধানের দুর্গন্ধে ভারি হয়ে আছে বাতাস। অনেক কৃষক বুক সমান পানিতে নেমে আধপচা ধান কাটার চেষ্টা করছেন, যা তাদের সারা বছরের খোরাকির যোগান দেবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জেলায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছিল, যার মধ্যে ২ হাজার ৪৭ হেক্টর জমি সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ভেজা ধান শুকাতে না পারায় বড় একটি অংশ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কৃষকদের এই চরম দুঃসময়ে সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রমিক সংকট নিরসনে বালুমহাল বন্ধ রাখার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হলেও মাঠপর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
রিপোর্টারের নাম 























