ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

ভারতের মর্যাদাপূর্ণ ‘মিনার-ই দিল্লি’ সম্মাননা পাচ্ছেন রুনা লায়লা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লা আগামী ৪ মে ভারতের মর্যাদাপূর্ণ ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মাননা পেতে চলেছেন। ১৫তম দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এই পুরস্কারটি তাকে প্রদান করা হবে। গণমাধ্যমে রুনা লায়লা নিজেই এই খবর নিশ্চিত করেছেন।

দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য আর্টস এবং ড. আম্বেদকার আন্তর্জাতিক কেন্দ্রে ৮ মে পর্যন্ত এই উৎসব চলবে। উৎসবে বিশ্বের ৬০টি দেশের ১৭৫টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। এবারের আসরে বিশ্বজুড়ে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক ও শিশুবিষয়ক চলচ্চিত্র এবং নারী নির্মাতাদের উৎসাহিত করার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে। আয়োজনে সহযোগিতা করছে ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য আর্টস।

পুরস্কারপ্রাপ্তি প্রসঙ্গে রুনা লায়লা বলেন, ‘কিছুদিন আগেই একটি চিঠির মাধ্যমে আমাকে এই সম্মাননার জন্য চূড়ান্ত করা হয়। আন্তর্জাতিক এই চলচ্চিত্র উৎসবের অংশ হতে পেরে এবং আমাকে সম্মানিত করায় আমি সত্যিই অনেক আনন্দিত। উৎসবের সভাপতি রাম কিশোরকে ধন্যবাদ জানাই। সেই সঙ্গে ইন্দিরা গান্ধী শিল্প পরিষদ, তথ্য মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কেও অনেক ধন্যবাদ। আমি নিশ্চিত, এই আয়োজন সফল হবে। আমার পক্ষ থেকে অনেক শুভকামনা।’

দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা হলো ‘মিনার-ই-দিল্লি’। এর আগে এই সম্মাননা লাভ করেছেন শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা, রুশ অভিনেত্রী সেনিয়া রেবেক্কানা, ভারতের অভিনয়শিল্পী শর্মিলা ঠাকুর, তিগমাংশু ধুলিয়া এবং জোহরা সেহগালের মতো খ্যাতিমান ব্যক্তিরা।

রুনা লায়লাকে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, ‘কয়েক দশক ধরে আপনার সুমধুর কণ্ঠ এবং বর্ণাঢ্য শৈল্পিক যাত্রা ভারত ও বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। আমাদের অনেকের কাছে আপনার গান শুধু সংগীত নয়; বরং তা আবেগ, স্মৃতি এবং আমাদের দুই দেশের মধ্যে এক সুন্দর সেতুবন্ধন। সংগীত ও চলচ্চিত্রে আপনার অবদান এমন এক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সৃষ্টি করেছে, যা আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। আপনি পুরস্কারটি গ্রহণ করলে তা আমাদের জন্য এক বিরাট আশীর্বাদ হবে। এটি শুধু ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে আরও উন্নতই করবে না, বরং আরও শক্তিশালী করবে। আপনার উপস্থিতি উৎসবের শোভা বৃদ্ধির পাশাপাশি চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিল্পী ও দর্শকদের অনুপ্রাণিত করবে, যারা আপনাকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করেন।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১২৬১

ভারতের মর্যাদাপূর্ণ ‘মিনার-ই দিল্লি’ সম্মাননা পাচ্ছেন রুনা লায়লা

আপডেট সময় : ০৭:২৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লা আগামী ৪ মে ভারতের মর্যাদাপূর্ণ ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মাননা পেতে চলেছেন। ১৫তম দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এই পুরস্কারটি তাকে প্রদান করা হবে। গণমাধ্যমে রুনা লায়লা নিজেই এই খবর নিশ্চিত করেছেন।

দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য আর্টস এবং ড. আম্বেদকার আন্তর্জাতিক কেন্দ্রে ৮ মে পর্যন্ত এই উৎসব চলবে। উৎসবে বিশ্বের ৬০টি দেশের ১৭৫টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। এবারের আসরে বিশ্বজুড়ে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক ও শিশুবিষয়ক চলচ্চিত্র এবং নারী নির্মাতাদের উৎসাহিত করার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে। আয়োজনে সহযোগিতা করছে ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য আর্টস।

পুরস্কারপ্রাপ্তি প্রসঙ্গে রুনা লায়লা বলেন, ‘কিছুদিন আগেই একটি চিঠির মাধ্যমে আমাকে এই সম্মাননার জন্য চূড়ান্ত করা হয়। আন্তর্জাতিক এই চলচ্চিত্র উৎসবের অংশ হতে পেরে এবং আমাকে সম্মানিত করায় আমি সত্যিই অনেক আনন্দিত। উৎসবের সভাপতি রাম কিশোরকে ধন্যবাদ জানাই। সেই সঙ্গে ইন্দিরা গান্ধী শিল্প পরিষদ, তথ্য মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কেও অনেক ধন্যবাদ। আমি নিশ্চিত, এই আয়োজন সফল হবে। আমার পক্ষ থেকে অনেক শুভকামনা।’

দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা হলো ‘মিনার-ই-দিল্লি’। এর আগে এই সম্মাননা লাভ করেছেন শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা, রুশ অভিনেত্রী সেনিয়া রেবেক্কানা, ভারতের অভিনয়শিল্পী শর্মিলা ঠাকুর, তিগমাংশু ধুলিয়া এবং জোহরা সেহগালের মতো খ্যাতিমান ব্যক্তিরা।

রুনা লায়লাকে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, ‘কয়েক দশক ধরে আপনার সুমধুর কণ্ঠ এবং বর্ণাঢ্য শৈল্পিক যাত্রা ভারত ও বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। আমাদের অনেকের কাছে আপনার গান শুধু সংগীত নয়; বরং তা আবেগ, স্মৃতি এবং আমাদের দুই দেশের মধ্যে এক সুন্দর সেতুবন্ধন। সংগীত ও চলচ্চিত্রে আপনার অবদান এমন এক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সৃষ্টি করেছে, যা আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। আপনি পুরস্কারটি গ্রহণ করলে তা আমাদের জন্য এক বিরাট আশীর্বাদ হবে। এটি শুধু ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে আরও উন্নতই করবে না, বরং আরও শক্তিশালী করবে। আপনার উপস্থিতি উৎসবের শোভা বৃদ্ধির পাশাপাশি চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিল্পী ও দর্শকদের অনুপ্রাণিত করবে, যারা আপনাকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করেন।’